প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: করোনার নতুন ধরন বা ভ্যারিয়েন্ট বিএফ-৭ খুব বেশি ভয়ানক বা ক্ষতিকারক নয়, কিন্তু সংক্রমণের হার অনেক বেশি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘করোনার এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট দ্বারা মৃত্যুর হারও খুব বেশি নয়। এ বিষয়ে আমরা সর্তকতা অবলম্বন করেছি। এ ব্যাপারে আমাদের দুঃশ্চিন্তা নেই। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও নির্দেশনাও দিয়েছি। এই ভ্যারিয়েন্ট যাতে ছড়িয়ে না যায় সেদিকে আমরা নজর রাখছি।‘বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার উদ্বোধনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘চায়নাসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমাদের দেশে বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও স্থলবন্দরের মাধ্যমে যেসব ব্যক্তি দেশে আসছেন তাদেরকে আমরা পরীক্ষা নিরীক্ষা করছি। এছাড়া এন্টিজেন্ট টেস্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমরা হাসপাতালগুলোকেও তৈরি রেখেছি।’জাহিদ মালেক বলেন, ‘দুই দিন ধরে চায়না থেকে যারা এসেছেন তাদের মধ্যে কিছু লোকের মধ্যে আমরা সংক্রমণ পেয়েছি। তারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। কিন্তু তারা কোন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত সে বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে বলা সম্ভব নয়। এমন আটজনের নমুনা নিয়েছি এবং তা পরীক্ষা করার জন্য আইইডিসিআরে পাঠিয়েছি। তার রেজাল্ট পাওয়ার পরই জানা যাবে তারা কী ভ্যারিয়েন্ট আক্রান্ত হয়েছেন। আমরা তাদেরকে হাসপাতালে আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি রেখেছি। পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার আগ পর্যন্ত ওই হাসপাতালেই থাকবেন।’
মন্ত্রী বলেন, ‘যারা বিদেশে যাচ্ছেন বা দেশে আছেন যারা করোনার টিকা নেননি তারা নিয়ে নেবেন। এখনও যেসব জায়গায় জনসমাগম বেশি সেখানে মাস্ক পরার আহ্বান জানান তিনি। কারণ যেকোন সময় করোনার সংক্রমণ আবারো বেড়ে যেতে পারে। তাই আমাদেরকে সাবধান হতে হবে, যাতে দেশবাসী আক্রান্ত না হয়।জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালামের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খান, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জেলা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার ইঞ্জি. তোবারক হোসেন লুডু প্রমুখ।
প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ২৯ ডিসেম্বর ২০২২ /এমএম





