Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: ফ্রান্স ও কানাডার সম্পর্ক আরও জোরদার করার অঙ্গীকার করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ও কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। অর্থনীতি, নিরাপত্তা, জ্বালানি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে একমত হয়েছেন তারা।

রোববার ফ্রান্সের ভূখণ্ড সাঁ-পিয়ের ও মিকেলনে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে মাখোঁ বলেন, ফ্রান্স ও কানাডা দুটি স্বাধীন দেশ এবং তারা নিজেদের স্বাধীনতা ধরে রাখতে চায়।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেন, ফ্রান্স ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করার সময় এসেছে। এর আগে তিনি ব্রাসেলস ও স্ট্রাসবুর্গ সফর করেন। ওই সফরের পর ইউরোপীয় কমিশন কানাডাকে জোটের ‘সহযোগী সদস্য’ করার প্রস্তাব দেয়।

বৈঠকে মৎস্যসম্পদ, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি অবকাঠামোসহ বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। কানাডার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর জানিয়েছে, মহাকাশ, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ এবং কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, স্যাটেলাইট ও সুপারকম্পিউটিংয়ের মতো উন্নত প্রযুক্তি নিয়েও দুই নেতা আলোচনা করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টানাপোড়েন, ফ্রান্স-কানাডা সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার
গোয়েন্দা মূল্যায়ন / ন্যাটোর বিরুদ্ধে আরও বড় পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছে রাশিয়া
কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই মাখোঁ ও কার্নির এই বৈঠক হলো। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডার ওপর শুল্ক আরোপ, অর্থনৈতিক ছাড়ের দাবি এবং দেশটিকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য করার কথা বলে আসছেন। এতে কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

মাখোঁ বলেন, কানাডার গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও বিরল মাটির খনিজের বড় মজুত রয়েছে। দেশটি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসেরও বড় উৎপাদক। ইউরোপের আটলান্টিক উপকূলে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে কানাডার সঙ্গে চুক্তি করতে চায় ফ্রান্স।

ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে যে চাপ তৈরি হয়েছে, বৈঠকে সেটিও গুরুত্ব পেয়েছে। ইউরোপের জ্বালানি সরবরাহ নিরাপদ করতে কানাডার সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন মাখোঁ।

এদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় ফ্রান্স, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনকে নিয়ে চার দেশের একটি সহযোগিতা কাঠামো গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন কার্নি।

বৈঠকের আগে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ডেনমার্কের সাম্প্রতিক সমঝোতাকেও স্বাগত জানান মাখোঁ। তিনি বলেন, এতে ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইনকে সম্মান করা হয়েছে। উত্তেজনা কমাতে সহায়ক যে কোনো উদ্যোগকে তিনি ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন। তথ্যসূত্র: ইউরোনিউজ, এএফপি ও এপি

প্রবাস বাংলা ভয়েস/কানাডা/২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬/এএ


Array

এই বিভাগের আরও সংবাদ