Menu

বাংলানিউজসিএ ডেস্ক :: সরকার দেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া রোধে স্বাস্থ্যসেবা খাতে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় আজ স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের এক শ’ কোটি টাকা বরাদ্দের দাবির জবাবে এ বরাদ্দ সম্পর্কে তাকে অবহিত করেছে।৫০ কোটি টাকার মধ্যে ৪৫.৫ কোটি টাকার বেশি সরঞ্জাম ক্রয়ের জন্য। বাকি বরাদ্দ জনসচেতনতা বাড়াতে এবং রাসায়নিক রি-এজেন্ট কেনার জন্য ব্যবহার করা হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় ২০১৯-২০-এর সংশোধিত বাজেটের অপ্রত্যাশিত ব্যয় ব্যবস্থাপনা তহবিল থেকে এ তহবিল বরাদ্দ দিয়েছে।

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়ছেই। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। বুধবার প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসকে বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিশ্বে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ২৬ হাজার ৩শ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে এবং ৪ হাজার ৬৩৩ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।‘করোনাভাইরাসের জীবাণু থাকতে পারে’ এমন আশঙ্কায় দেশের ১৭টি জেলায় বিদেশফেরত দুই শতাধিক ব্যক্তিকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। দেশে করোনাভাইরাসে তিনজন শনাক্ত হয়েছেন রোববার (০৮ মার্চ) সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এমন ঘোষণা দেয়। এরপর গত তিনদিনে বিভিন্ন জেলায় এ পর্যন্ত ২১৫ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়। তবে এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত কারও শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসে মৃত্যুর হার সম্পর্কে অনেকগুলো পরিসংখ্যান বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। বিভিন্ন পরিসংখ্যানবিদদের মধ্যে চিকিৎসা বিজ্ঞানী ক্রিস হুইটি মনে করেন, করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার এক শতাংশেরও কম।তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ডা. টেড্রস আধানম গেব্রেইয়েসুস অবশ্য মৃত্যুর হার আরও বেশি বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার ৩.৪ শতাংশ।

মৃত্যুর এ হার করোনায় আক্রান্ত যে রোগীদের শনাক্ত করা হয়েছে শুধু সেই সংখ্যার ওপর নির্ধারিত। হাসপাতালে যাননি কিংবা শনাক্ত হননি করোনায় আক্রান্ত এমন অনেকেও রয়েছে। ফলে আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার ৩.৪ শতাংশের কম হওয়াই যুক্তিযুক্ত।পরিসংখ্যানে প্রকাশ, করোনায় মৃতদের মধ্যে বয়স্কদের সংখ্যা বেশি। তরুণদের ঝুঁকি বা মৃত্যুর হার কম। বয়স্ক ব্যক্তিরা ছাড়াও যারা করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসাকাজে সঙ্গে জড়িত তাদের ঝুঁকিও বেশি।

করোনার কোনো প্রতিকার আছে?

বিশ্বে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া এ ভাইরাসের এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিকার খুঁজে পাওয়া যায়নি। চীনের কিছু রোগীর উপর ভাইরাসের বিরুদ্ধে ওষুধ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য দেশেও নতুন করে পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। তবে কয়েকজনের উপর পরীক্ষা চালিয়ে এটি সম্ভব নয়। বিশাল সংখ্যক মানুষের উপর পরীক্ষা করা প্রয়োজন।আশা করা হচ্ছে মার্চ মাসের মাঝামাঝি করোনা প্রতিরোধে গবেষণায় সাফল্য আসতে পারে।

বাংলানিউজসিএ/ঢাকা/ ১২ মার্চ ২০২০ /এমএম


Array