Menu

বাংলানিউজসিএ ডেস্ক :: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে খুলনায় বেলা ১১ টার পর থেকে শুরু হয়েছে গুড়িগুড়ি বৃষ্টি। থমথমে আবহাওয়া বিরাজ করছে জেলা জুড়ে। হালকা মেঘে আচ্ছন্ন হয়ে আছে আকাশ। আজ শুক্রবার সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন এলাকায় গুড়িগুড়ি বৃষ্টিপাত হচ্ছে।এদিকে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় খুলনার সদরসহ ৯ উপজেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি ৩৩৮টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত করা হয়েছে।

এদিকে, কৃষকরা ক্ষেতে আধাপাকা ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। জমির সব ধান এখনো পাকেনি।ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ বঙ্গোপসাগর থেকে উত্তর-পশ্চিম উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদেরা।তাদের মতে, ঘূর্ণিঝড়টি শনিবার (০৯ নভেম্বর) মধ্যরাতের দিকে বাংলাদেশের খুলনা-বরিশাল অঞ্চলের ওপর আঘাত হানতে পারে। তবে উপকূলে আঘাত হানার আগে কিছুটা দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর কারণে সাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে। এ জন্য দেশের তিনটি সমুদ্রবন্দর ও কক্সবাজারকে শুক্রবার ভোর ছয়টা থেকে ৪ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত নৌ-যানগুলোকে সাগরে চলাচল না করে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আজিজুল হক জোয়ার্দ্দার বলেন, বিকেল ৪টায় খুলনা সার্কিট হাউজে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাব মোকাবেলা ও সকল কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভা আহ্বান করেছে জেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যে সরকারি-বেসরকারি ৩৩৮টি সাইক্লোন সেল্টার প্রস্তুত করা হয়েছে। উপকূলীয় দাকোপ ও কয়রা উপজেলায় ২৪০৬০ সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বাংলানিউজসিএ/ঢাকা/ ০৮ নভেম্বর ২০১৯ /এমএম


Array