Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক ::‌ যুদ্ধের মধ্যে ইউক্রেনে আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ ‘বাংলার সমৃদ্ধি’ টার্গেট হামলার শিকার হতে পারে বলে মনে করছেন নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তবে বাংলাদেশের এই বাণিজ্যিক জাহাজে কোন পক্ষ হামলা করেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের একথা বলেন।

এর আগে স্থানীয় সময় বুধবার সকালে আটকে পড়া ওই জাহাজের ব্রিজে একটি রকেট এসে পড়লে বিস্ফোরণে আগুন ধরে যায়। এ ঘটনায় জাহাজের থার্ড ইঞ্জিনিয়ার হাদিসুর রহমান নিহত হন।বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন—বিএসসির মালিকানাধীন ‘বাংলার সমৃদ্ধি’ ডেনিশ কোম্পানি ডেলটা করপোরেশনের অধীনে ভাড়ায় চলছিল। ভারতের মুম্বাই বন্দর থেকে গত ২৬ জানুয়ারি রওনা হয়ে তুরস্কের ইরেগলি হয়ে ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরে পৌঁছায় জাহাজটি। ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরু হলে ওই বন্দরেই ২৯ নাবিকসহ জাহাজটি আটকা পড়ে।

নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাণিজ্যিক জাহাজে আক্রমণ হওয়ার কথা নয়, এরপরেও আক্রমণ হয়েছে। জাহাজের ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাহাজ চলাচল সম্ভব নয়। জেনারেটরের সুবিধা আছে।’ওই জাহাজে নিহত নাবিক হাদিসুর রহমানের মরদেহ সংরক্ষণ করা হয়েছে জানিয়ে খালিদ মাহমুদ বলেন, ‘নাবিকরা এখন জাহাজ থেকে নেমে গেলে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। আমরা কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছি। নাবিকদের নিরাপত্তা আমাদের অগ্রাধিকার।’

‘মনে হচ্ছে টার্গেট করে হামলা হয়েছে। কে হামলা করেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। যুদ্ধ চলছে, কার রকেট এসে পড়েছে বলা যাচ্ছে না’—যোগ করেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী।এদিকে নিহত নাবিক হাদিসুরের মরদেহ এবং অন্য নাবিকদের কবে নাগাদ দেশে ফেরানো যাবে সে বিষয়ে নৌ প্রতিমন্ত্রী কিছু জানাতে পারেননি। তবে এটা সেখানকার যুদ্ধ পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে বলে তিনি জানান।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ০৩ মার্চ  ২০২২ /এমএম


Array