Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক ::‌ ভারতের অন্যতম ধনী বচ্চন পরিবার। শুধু অমিতাভের সম্পত্তির পরিমাণ সাড়ে ৪৪ কোটি ডলারেরও বেশি। তাদের খ্যাতি, জনপ্রিয়তা বিদেশেও রয়েছে।অথচ জানলে অবাক হবেন, অমিতাভ বিলাসি জীবন যাপন করলেও তার অত্যন্ত কাছের এক আত্মীয় ভুগছেন অর্থকষ্টে!সম্পর্কে অমিতাভের ফুফাতো ভাই অনুপ রামচন্দ্র সংসার চালাতে হিমশিম খেলেও বচ্চন পরিবার থেকে কোনো সাহায্য পান না। তাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগও করেন না অমিতাভ ও তার পরিবার।

আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অমিতাভের ফুফুর ছেলে ছেলে অনুপ। অমিতাভের সঙ্গে ছোটবেলার অনেক স্মৃতি রয়েছে অনুপের মনে।অনুপ থাকেন অমিতাভেরই আদি বাড়িতে। উত্তরপ্রদেশের কাটঘড়ে এখনও রয়েছে অমিতাভদের আদি বাড়ি।এই বাড়িতেই মা-বাবা-ভাইয়ের সঙ্গে জীবনের অনেকটা সময় কাটিয়েছেন অমিতাভ। সেই বাড়িরই একাংশে পরিবার নিয়ে থাকেন অনুপ।

আনন্দবাজার জানায়, অমিতাভের বাবা হরিবংশ রাই বচ্চন ছিলেন কবি। এক সময় ইলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনাও করেছিলেন তিনি।হরিবংশের এক বোনেরই ছেলে অনুপ। চার ভাইয়ের মধ্যে তৃতীয় অনুপ। জীবনের প্রথম দিকে অবস্থা এতটাও সঙ্গীন ছিল না অনুপের।যত দিন হরিবংশ বেঁচে ছিলেন অনুপের দেখভাল করতেন তিনিই। কিন্তু হরিবংশের মৃত্যুর পর তাদের দেখাশোনার আর কেউ নেই। অমিতাভও তত দিনে পৈতৃক বাড়ি ছেড়ে মুম্বাই থাকতে শুরু করেন।

অনুপের সঙ্গে প্রথম দিকে কথাবার্তা থাকলেও হরিবংশের মৃত্যুর পর আর ফুফাতো ভাইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক রাখেননি অমিতাভ।দুই সন্তান এবং স্ত্রীকে নিয়ে অমিতাভের পৈতৃক বাড়িতে থাকেন অনুপ। অনুপ একজন ইলেকট্রিক মিস্ত্রি। যা উপার্জন করেন তাতে ঠিকমতো সংসারও চলে না। কিন্তু অমিতাভ কেন অনুপের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন না সে বিষয়ে বচ্চন পরিবার কখনও মুখ খোলেনি।

তবে অনুপ জানিয়েছেন, তিনি অমিতাভদের পৈতৃক বাড়ির একাংশ জাদুঘর করে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন অমিতাভকে। কারণ এই বাড়ি জুড়ে রয়েছে অমিতাভের বাবা হরিবংশের স্মৃতি।কিন্তু অমিতাভ কোনো দিন অনুপের এই প্রস্তাবে রাজি হননি। বরং একাধিক বার অনুপকে বাড়ি ছাড়তে বলেছিলেন।অনুপও বাড়ি ছাড়তে রাজি ছিলেন না। পৈতৃক এই জমি নিয়েই দুজনের মধ্যে বিবাদের সূত্রপাত। এখন তো অনুপের ভাইয়ের মুখ দেখাদেখিও সম্পূর্ণ বন্ধ। গরিব হওয়ায় অমিতাভের একমাত্র ছেলে অভিষেকের বিয়েতেও আসেননি অনুপ।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ১৭ জুলাই ২০২১ /এমএম