প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরো ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এ ভাইরাসে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ হাজার ৪০৫ জনে। একই সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ১ হাজার ৪৯৯ জন।
ফলে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল তিন লাখ ৭১ হাজার ৬৩১ জনে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত করোনাভাইরাস বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা দুইই গতকালের চেয়ে আজ বেশি। গতকাল সোমবার ২৭ জনের মৃত্যু ও ১ হাজার ৪৪২ জনের সংক্রমণের খবর জানানো হয়। আজ মঙ্গলবার মৃতদের মধ্যে পুরুষ ২০ জন ও নারী ১ জন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৯টি পরীক্ষাগারে ১২ হাজার ৩৯৮টি নমুনা সংগ্রহ ও ১২ হাজার ৩৪৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়।
এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ১৩ হাজার ৭৭৬টি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৬৫১ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থের সংখ্যা দাঁড়াল দুই লাখ ৮৪ হাজার ৮৩৩ জনে। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১২ দশমিক ১৪ শতাংশ এবং এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ।
রোগী শনাক্তের তুলনায় সুস্থতার হার ৭৬ দশমিক ৬৪ এবং মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৫ শতাংশ। এ পর্যন্ত করোনায় মোট মৃতের মধ্যে পুরুষ ৪ হাজার ১৭৫ জন (৭৭ দশমিক ২৪ শতাংশ) ও নারী ১ হাজার ২৩০ জন (২২ দশমিক ৭৬ শতাংশ)।
বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৩০ জনের মধ্যে দশোর্ধ্ব একজন, বিশোর্ধ্ব একজন, ত্রিশোর্ধ্ব দুজন, চল্লিশোর্ধ্ব দুজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব সাতজন ও ষাটোর্ধ্ব ১৭ জন। বিভাগ অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৩০ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৯ জন, চট্টগ্রামে চারজন, খুলনায় দুজন, বরিশালে দুজন, সিলেট একজন ও রংপুর দুজন রয়েছেন।
এদিকে বিশ্বে প্রতি ১০ জনে একজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটির নেতাদের এক বৈঠকে এমন কথা উঠে এসেছে। সেখানকার এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, এই পরিসংখ্যান বলছে সারাবিশ্বের একটি বড় পরিমাণ জনগোষ্ঠী এখনও অনেক ঝুঁকির মধ্যে রেখেছে।
বিশেষজ্ঞরা অনেক আগে থেকেই বলছেন বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সঠিক সংখ্যা যেসব নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা সামনে আসছে তার থেকে অনেক বেশি। সংক্রমণ শুরু হওয়ার ১০ মাস পেরোলেও এখনও এই মহামারী শেষ হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না বরং অনেক দেশেই করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ চলছে।
গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। বর্তমানে সারাবিশ্বে ৩ কোটি ৫৬ লাখ মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত। প্রাণ হারিয়েছে ১০ লাখ ৪৫ হাজারেরও বেশি মানুষ। আর সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছে ২ কোটি ৬৮ লাখেরও বেশি মানুষ। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৪ হাজার ২৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে অদৃশ্য ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে। একই সময়ে নতুন করে আরও ২ লাখ ৬৪ হাজার ২০৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন আড়াই লাখের হাজারের বেশি মানুষ।
করোনা নিয়ে আপডেট দেয়া ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৫৬ লাখ ৯৫ হাজার ৪০৬ জন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০ লাখ ৪৫ হাজার ৮৯২ জন। সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন দুই কোটি ৬৮ লাখ ৬৫ হাজার ৯১ জন। করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সংক্রমণ ও মৃত্যু বেশি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। যুক্তরাষ্ট্রের পরেই সংক্রমণে এগিয়ে রয়েছে ভারত, ব্রাজিল, রাশিয়া, কলম্বিয়া, পেরু, মেক্সিকো, স্পেন, দক্ষিণ আফ্রিকা, আর্জেন্টিনা।
আক্রান্ত ও মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের ধারে-কাছে নেই কোনো দেশ। সেখানে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৭৬ লাখ ৭৯ হাজার ৬৪৪ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ২ লাখ ১৫ হাজার ৩২ জন। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৬৬ লাখ ৮২ হাজার ৭৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে এক লাখ ১ হাজার ৩ হাজার ৬০০ জনের। তৃতীয় অবস্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় ৪৯ লাখ ৪০ হাজার ৪৯৯ জন আক্রান্ত হয়েছে।
মৃত্যু হয়েছে এক লাখ ৪৬ হাজার ৭৭৩ জনের। চতুর্থ অবস্থানে থাকা রাশিয়ায় এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১২ লাখ ২৫ হাজার ৮৮৯ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ২১ হাজার ৪৭৫ জন। পঞ্চম স্থানে থাকা কলোম্বিয়ায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লাখ ৬২ হাজার ১৫৮ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৬ হাজার ৮৪৪ জনের।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরো ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এ ভাইরাসে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ হাজার ৪০৫ জনে। একই সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ১ হাজার ৪৯৯ জন। ফলে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল তিন লাখ ৭১ হাজার ৬৩১ জনে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত করোনাভাইরাস বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা দুইই গতকালের চেয়ে আজ বেশি। গতকাল সোমবার ২৭ জনের মৃত্যু ও ১ হাজার ৪৪২ জনের সংক্রমণের খবর জানানো হয়।আজ মঙ্গলবার মৃতদের মধ্যে পুরুষ ২০ জন ও নারী ১০ জন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৯টি পরীক্ষাগারে ১২ হাজার ৩৯৮টি নমুনা সংগ্রহ ও ১২ হাজার ৩৪৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ১৩ হাজার ৭৭৬টি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৬৫১ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থের সংখ্যা দাঁড়াল দুই লাখ ৮৪ হাজার ৮৩৩ জনে।
২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১২ দশমিক ১৪ শতাংশ এবং এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। রোগী শনাক্তের তুলনায় সুস্থতার হার ৭৬ দশমিক ৬৪ এবং মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৫ শতাংশ।
এ পর্যন্ত করোনায় মোট মৃতের মধ্যে পুরুষ ৪ হাজার ১৭৫ জন (৭৭ দশমিক ২৪ শতাংশ) ও নারী ১ হাজার ২৩০ জন (২২ দশমিক ৭৬ শতাংশ)।বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৩০ জনের মধ্যে দশোর্ধ্ব একজন, বিশোর্ধ্ব একজন, ত্রিশোর্ধ্ব দুজন, চল্লিশোর্ধ্ব দুজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব সাতজন ও ষাটোর্ধ্ব ১৭ জন।
বিভাগ অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৩০ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৯ জন, চট্টগ্রামে চারজন, খুলনায় দুজন, বরিশালে দুজন, সিলেট একজন ও রংপুর দুজন রয়েছেন।
এদিকে বিশ্বে প্রতি ১০ জনে একজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটির নেতাদের এক বৈঠকে এমন কথা উঠে এসেছে। সেখানকার এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, এই পরিসংখ্যান বলছে সারাবিশ্বের একটি বড় পরিমাণ জনগোষ্ঠী এখনও অনেক ঝুঁকির মধ্যে রেখেছে।
বিশেষজ্ঞরা অনেক আগে থেকেই বলছেন বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সঠিক সংখ্যা যেসব নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা সামনে আসছে তার থেকে অনেক বেশি।সংক্রমণ শুরু হওয়ার ১০ মাস পেরোলেও এখনও এই মহামারী শেষ হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না বরং অনেক দেশেই করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ চলছে।
গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। বর্তমানে সারাবিশ্বে ৩ কোটি ৫৬ লাখ মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত। প্রাণ হারিয়েছে ১০ লাখ ৪৫ হাজারেরও বেশি মানুষ। আর সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছে ২ কোটি ৬৮ লাখেরও বেশি মানুষ।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৪ হাজার ২৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে অদৃশ্য ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে। একই সময়ে নতুন করে আরও ২ লাখ ৬৪ হাজার ২০৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন আড়াই লাখের হাজারের বেশি মানুষ।
করোনা নিয়ে আপডেট দেয়া ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৫৬ লাখ ৯৫ হাজার ৪০৬ জন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০ লাখ ৪৫ হাজার ৮৯২ জন। সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন দুই কোটি ৬৮ লাখ ৬৫ হাজার ৯১ জন।
করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সংক্রমণ ও মৃত্যু বেশি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। যুক্তরাষ্ট্রের পরেই সংক্রমণে এগিয়ে রয়েছে ভারত, ব্রাজিল, রাশিয়া, কলম্বিয়া, পেরু, মেক্সিকো, স্পেন, দক্ষিণ আফ্রিকা, আর্জেন্টিনা।
আক্রান্ত ও মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের ধারে-কাছে নেই কোনো দেশ। সেখানে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৭৬ লাখ ৭৯ হাজার ৬৪৪ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ২ লাখ ১৫ হাজার ৩২ জন।
দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৬৬ লাখ ৮২ হাজার ৭৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে এক লাখ ১ হাজার ৩ হাজার ৬০০ জনের।
তৃতীয় অবস্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় ৪৯ লাখ ৪০ হাজার ৪৯৯ জন আক্রান্ত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে এক লাখ ৪৬ হাজার ৭৭৩ জনের।
চতুর্থ অবস্থানে থাকা রাশিয়ায় এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১২ লাখ ২৫ হাজার ৮৮৯ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ২১ হাজার ৪৭৫ জন।পঞ্চম স্থানে থাকা কলোম্বিয়ায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লাখ ৬২ হাজার ১৫৮ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৬ হাজার ৮৪৪ জনের।
প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ০৬ অক্টোবর ২০২০/এমএম





