জুলফিকার আলী, রাজবাড়ী :: রাজবাড়ী জেলার পাংশা-কালুখালী ও বালিয়াকান্দির কর্মহীন, অসহায়, মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত ও সকল শ্রেণীর রোগীদের ফ্রি স্বাস্থ্য সেবা, ৬ মাস থেকে ২ বছরের শিশুদের মাঝে পুষ্টিকর খাদ্য সামগ্রী উপহার, পেশাজীবি ডাক্তার, নার্স, স্বেচ্ছাসেবক ও সাংবাদিকদের মাঝে পিপিই প্রদান, মাক্স হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রদান, অস্বচ্ছল ও বয়স্ক মানুষের জন্য নিজস্ব তহবিল থেকে নগদ অর্থ প্রদান করা, জীবাণুনাশক হ্যান্ড স্প্রে মেশিন, মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জেম ও মুসল্লীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য হ্যান্ড ওয়াস, সাবান মাক্স ও গ্রোভস প্রদানসহ অন্যধর্মের পুরোহিত ও ভক্তদের জন্যও একই বরাদ্দ চলমান রেখেছেন আশিক মাহমুদ মিতুল। এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে জুন মাস
থেকেই প্রতিরোধ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। অতীত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি নিজস্ব অর্থায়নে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে স্বেচ্ছাসেবক গ্রুপ গঠন করে ৩টি উপজেলা ও ১টি পৌরসভায় ডেঙ্গু মশক নিধণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি শুরু করায় ব্যাপক সাড়া দিয়েছেন সাধারণ জনগণ।
২৪ হাজার কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী উপহার হিসেবে পৌছে দেয়া, এমপি জিল্লুল হাকিম প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে নগদ ৫০ লাখ টাকা অনুদান ও ২য় পর্বে ৮ হাজার শিশু খাদ্য ও ২৫ হাজার কর্মহীন পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী পোছে দেন তিনি। করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় রাজবাড়ী- ২ আসনের এমপি মো. জিল্লুল হাকিম ও জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আশিক মাহমুদ মিতুল এলাকার কর্মহীন ও অসহায় মানুষের পাশে মানবতার প্রাচীর গড়ে তুলেছেন। যা রাজবাড়ী জেলাবাসী ও প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা গভীর আগ্রহে পাশে থেকে পর্যবেক্ষণ করছেন। এটা একটি বিরল দৃষ্টান্ত হয়ে আগামী প্রজন্মের কাছে উদাহরণ হিসেবে ইতিহাস হয়ে থাকবে।
ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে কালুখালী উপজেলায় ও বালিয়াকান্দি উপজেলায়-খুব শীঘ্রই এই কর্মসূচি শুরু হবে বলে আশিক মাহমুদ মিতুল জানিয়েছেন। আশিক মাহমুদ মিতুল প্রায় চার মাস-এলাকায় অবস্থান করে করোনায় কর্মহীন মানুষের খাদ্যসেবা, স্বাস্থ্যসেবা সহ মানসিক সাহস-শক্তি জুগিয়েছেন। এতে করে তার প্রতি জনতার আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গা সুদৃঢ় হয়েছে বলে এলাকার সাধারণ মানুষ এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন।
এছাড়াও তিনটি ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল এ্যাম্বুলেন্স ডাক্তার টিম-রোগীদের বাড়ী বাড়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করেছেন। জরুরী প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগীদের ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, খুলনা ও ঢাকায় পাঠিয়েছেন। রাজবাড়ী জেলায় এ এক বিরল উদাহরণ হয়ে থাকবে আগামী প্রজন্মের জন্য বললেন, একজন প্রবীণ রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
২৫ মার্চ সন্ধ্যা ৭.৩০ মিনিটে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে দেয়া বক্তব্যে বলেন, “২৬ মার্চ বাঙালী জাতির স্বাধীনতা দিবস। জাতির এই মহা সংকটে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। বাঙালী জাতি কে রক্ষার জন্য বঙ্গবন্ধু আমৃত কাজ করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় আগে মানুষের জীবন তারপর রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচার। ২৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশে লকডাউন ঘোষণা করা হলো।”
বঙ্গবন্ধুৎ কন্যা শেখ হাসিনার নির্দেশের সঙ্গে সঙ্গে রাজবাড়ী- ২ আসনের ৪ বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য, রাজবাড়ী জেলা আওয়ামীলীগের বার বার নির্বাচিত সভাপতি, মহান মুক্তিযুদ্ধে ৭১- এর রণাঙ্গনের সম্মুখ সৈনিক, তৎকালীন গোয়ালন্দ মহাকুমার কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিম পাংশা, কালুখালী ও বালিয়াকান্দির মানুষের পাশে এসে মানবতার দেয়াল তৈরি করেন। এমপি জিল্লুল হাকিমের পাশে এসে দাঁড়ান তাঁর সুযোগ্য সন্তান, রাজবাড়ী জেলা আওয়ামীলীগের অন্যতম সদস্য, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক এবং বার বার রাজবাড়ী জেলার
শ্রেষ্ঠ করদাতা আশিক মাহমুদ মিতুল। পাংশা, কালুখালী ও বালিয়াকান্দি উপজেলার ছাত্রলীগ, যুবলীগের নেতাকর্মীদের অথাৎ প্রাণপ্রিয় নেতা হিসেবে যুব ও ছাত্র সমাজকে প্রশিক্ষিত দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে, ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ইতোমধ্যে আশিক মাহমুদ মিতুল বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের নেতাকর্মীদের সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করে, রাজনৈতিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নীতিবান, আদর্শবান ও দেশ প্রেমিক নেতাকর্মী গঠনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
ইতোমধ্যে বিগত ৫ বছরে ব্যাপক সফলতা অর্জনে তিনি সক্ষমও হয়েছেন। ছাত্রলীগ, যুবলীগের তথাকথিত অভিযোগ এই রাজবাড়ী জেলায় নাই বলে মন্তব্য প্রবিণ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। আশিক মাহমুদ মিতুল তাঁর বিশাল কর্মীবাহিনীকে এখন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে মরণ ব্যধী করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সু-শৃঙ্খলভাবে কাজে লাগিয়েছেন।
বাংলানিউজসিএ/ঢাকা/ ০৫ জুলাই ২০২০ /এমএম





