বাংলানিউজসিএ ডেস্ক :: করোনার এই কঠিন সময়ে সব ফেলে ফরাসি দৈনিক লেকিপের শিরোনাম, ‘লিওনেল মেসি, দ্য চে অব বার্সা’। মানে মেসি এখন বার্সেলোনার চে গুয়েভারা। অসময়ে হঠাৎ আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি বিপ্লবী নেতার সঙ্গে তুলনা কেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের? খেলা বন্ধ থাকায় আপাতত মাঠে কোনো বিপ্লব ঘটানোর সুযোগ নেই মেসির। তবে ঘরে বসেই ঝড় তুলেছেন মেসি। করোনার কোপে খেলোয়াড়দের বেতন কমানো নিয়ে বিভ্রান্তির জন্য ক্লাব কর্তৃপক্ষকে রীতিমতো ধুয়ে দিয়েছেন বার্সা অধিনায়ক।
বার্সেলোনার পরিচালকদের সঙ্গে সিনিয়র খেলোয়াড়দের দ্বন্দ্ব আগে থেকেই চলছে। ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আবার সেটি সামনে নিয়ে এলেন মেসি। বেশ কিছুদিন ধরে শোনা যাচ্ছিল, ক্লাবের বেতন কমানোর প্রস্তাবে রাজি নন মেসিরা। ফলে আদালতে গিয়ে খেলোয়াড়দের বেতন কম নিতে বাধ্য করবে বার্সেলোনা। অথচ, ক্লাবের স্বার্থে দলের সবাই স্বেচ্ছায় বেতনের ৭০ ভাগ কম নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
খেলোয়াড়দের এমন মহানুভবতার পরও তাদের নিয়ে সংবাদমাধ্যমে ফালতু গুজব রটানোর জন্য ক্লাবকে কড়া ভাষায় সতর্ক করে দিয়েছেন মেসি, ‘শুরু থেকেই আমাদের ইচ্ছা ছিল বেতন কম নেয়ার। অথচ, এমন বিপর্যয়ের মুহূর্তেও আমাদের নিয়ে অনেক ফালতু কথা লেখা হয়েছে। আগেও এমন হয়েছে। আমরা তাই একটুও অবাক হইনি, যখন ক্লাব আমাদের সবার সন্দেহের দৃষ্টির সামনে ফেলল এবং আমাদের এমন কিছু করতে বাধ্য করার চেষ্টা করল, যা আমরা নিজে থেকেই করতাম। এসব বন্ধ করার সময় এসেছে।’
মেসির এমন কড়া বক্তব্যের পর সুর পাল্টে বার্সা সভাপতি হোসে মারিয়া বার্তোমেউ বলেছেন, ‘মেসি প্রথমদিনেই বলেছিল বেতন কমানো উচিত। ক্লাবের অধিনায়কই এই প্রস্তাব দিয়েছে। হয়তো ক্লাবের ভেতর ও বাইরের কিছু মানুষের কথায় তারা হতাশ হয়েছে। কিন্তু যারা ওসব বলেছে তারা কিছুই জানত না। আমরা এমন কিছু বলিনি।’
বাংলানিউজসিএ/ঢাকা/১ এপ্রিল ২০২০/ইএন





