Menu

বাংলানিউজসিএ ডেস্ক :: চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া নতুন প্রকৃতির করোনোভাইরাসে আতঙ্কিত বিশ্ব। ইতোমধ্যে এই ভাইরাস বিশ্বের ২০টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে বেড়েছে ফেসমাস্কের ব্যবহার। বাংলোদেশেও এর ব্যবহার বাড়ার পাশাপাশি বেড়েছে দামও।রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে, যানবাহনে কিংবা রাস্তায় যাতায়াত করছেন এমন ব্যক্তিদের ফেমমাস্ক ব্যবহার করতে দেখা গেছে। ১০ টাকা থেকে শুরু করে ১৫০ টাকা পর্যন্ত পাওয়া গেলেও ১৭৫০ টাকায় একটি মাস্কের দাম শুনে অবাক হবে না, এমন ব্যক্তি খুঁজে পাওয়া দুস্কর।

তবে ফেসমাস্কের দাম বৃদ্ধি কারণ হিসেবে অনেকেই বলছেন- যথাযথ যোগানের অভাবেই ঘটেছে এ বিপত্তি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারের মানসম্মত সব মাস্ক চীন থেকে আমদানি করা হয়। বর্তমানে চীন মাস্ক রফতানি বন্ধ রেখেছে। আর এ কারণেই দাম বেড়েছে।সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর শ্যামলীর শিশুমেলার বিপরীতে টেকনোকেট হেলথ কেয়ার এণ্ড ফার্মেসিতে ফেসমাস্ক নেই গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে। ফার্মেসির বিক্রেতা সাফায়েত বলেন, ফার্মেসিতে কোন মাস্কই নেই। দাম বেশি হওয়ায় আমরা কিনছি না।

রাজধানীর কয়েকটি ফার্মেসি ঘুরে ও অনলাইনে বেচাকেনার ওয়েবসাইটগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে, ডিস্পোজেবল নন ওভেন ফ্যাব্রিক মাস্ক বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকায়, কটন মাস্ক ১২০ টাকা, স্পঞ্জ অ্যান্টি ডাস্ট মাস্ক ৫০ টাকা, এন-৯৫ (৮২১০) মাস্ক ২৫০ টাকা, এন-৯৫ (৮১১০এস) ১৮০ টাকা, পিএম-২.৫ মাউথ মাস্ক ১২০ টাকা, সাওমি এয়ারপপ থ্রি-সিক্সটি ডিগ্রি অ্যান্টি ফগ মাস্ক ৩৫০ টাকা, সাওমি স্মার্টলি ফিল্টার মাস্ক ৪৫০ টাকা এবং সাওমি পিএম-২.৫ লাইট ওয়েট মাস্ক বিক্রি হচ্ছে ১৭৫০ টাকা।

বিসমিল্লাহ ফার্মেসি এণ্ড ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের বিক্রেতা কাজী জামাল উদ্দিন বলেন, আমাদের দোকানে কোনো মাস্ক নেই। এই মাস্ক আসতো চীন থেকে।আজাদুর রহমান বলেন, লাজ ফার্মা থেকে আমরা দুটি ফিল্টার মাস্ক কিনেছি ১২০ টাকায়। তিন দিন আগে কিনেছি সেটা ছিল ৫০ টাকা। এখন শুনেছি দাম আরও বেড়েছে।

বাংলানিউজসিএ/ঢাকা/০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ /এমএম


Array