Menu

বাংলানিউজসিএ ডেস্ক :: আগামী শনিবার সারাদেশে একযোগে প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। তবে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ১১ জানুয়ারির পরিবর্তে ২৫ জানুয়ারি উদযাপন করা হবে।গতকাল বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ঐদিন ৬ মাস বয়স থেকে ৫ বছর বয়সের প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ শিশুকে এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে এ কর্মসূচি পালন করা হবে।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ছাত্র-শিক্ষক ও সাংবাদিকসহ সকলের সার্বিক সহযোগিতায় দেশব্যাপী ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্রসহ অতিরিক্ত আরো ২০ হাজার অস্থায়ী ও ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রগুলোর উদ্যোগে বিভিন্ন রেলস্টেশন, বাস স্টেশন, লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট, বঙ্গবন্ধু ব্রিজ, দাউদকান্দি ও মেঘনা ব্রিজ ইত্যাদি স্থানে শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো হবে।

কামাল চৌধুরী জানান, কাউন্টডাউনের জন্য বিভাগীয় শহরগুলিতে বিভিন্ন জনসমাগমের জায়গায়, সারা দেশে জেলা, সিটি করপোরেশন এবং উপজেলায় এই ডিভাইস বসানো হয়েছে। জন্মবার্ষিকী উদযাপনে জনগণের সামনে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম উপস্থাপন এবং ত্বরান্বিত উন্নয়ন কার্যক্রম এবং ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত ‘সোনার বাংলা’ নির্মাণের জন্য পরিসেবাগুলো তুলে ধরা হবে।

জাতির পিতার শততম এ বার্ষিকী স্মরণীয় করে রাখতে সরকারের পাশাপাশি দলীয়ভাবেও কর্মসূচি নিয়েছে আওয়ামী লীগ। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ১০ জানুয়ারি আতশবাজি উৎসবের মাধ্যমে শুরু হয় মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা।দেশ-বিদেশে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, বঙ্গবন্ধুর নামে আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রবর্তন, ‘গ্রিন ফ্যাক্টরি অ্যাওয়ার্ড’ এবং হাতে হাত রেখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের প্রতিকৃতি গড়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড হিসেবে অন্তর্ভুক্তকরণ। এছাড়া কনসার্টসহ নানা আনন্দ আয়োজন ও রক্তদানসহ সেবাধর্মী কর্মসূচি থাকবে।

১৭ মার্চ মূল অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং বঙ্গবন্ধুর সময়ের রাজনৈতিক, সামাজিক ব্যক্তিত্বকে। তাদের মধ্যে আছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন, জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ প্রমুখ।

কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বলেন, আগামী ১৭ মার্চ থেকে মুজিববর্ষ শুরু হচ্ছে। দেশ-বিদেশে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করা হবে জাঁকজমকপূর্ণভাবে। এ উদযাপনে সর্বস্তরের জণগণকে সম্পৃক্ত করা হবে। দেশ-বিদেশে নানা আয়োজনে বিভিন্ন দেশের স্বনামধন্য ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত থাকবেন। সেই অনুযায়ীই আমাদের পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে।

বাংলানিউজসিএ/ঢাকা/ ১০ জানুয়ারি ২০২০ /এমএম


Array