Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: কানাডাজুড়ে দাবানল পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, দেশজুড়ে বর্তমানে প্রায় ৯০০টি দাবানল সক্রিয় রয়েছে। চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত ৩৭ লাখ হেক্টরেরও বেশি বনভূমি আগুনে পুড়ে গেছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে অন্টারিওসহ দেশের বিভিন্ন উত্তরাঞ্চল। এসব এলাকায় একাধিক আদিবাসী সম্প্রদায়ের হাজারো বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। দাবানল নিয়ন্ত্রণে দমকলকর্মীরা দিনরাত কাজ করলেও তীব্র তাপপ্রবাহ, শুষ্ক আবহাওয়া ও দমকা হাওয়ার কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

কানাডা সরকার জানিয়েছে, দাবানল মোকাবিলায় ফেডারেল সরকার প্রাদেশিক ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। আগুন নিয়ন্ত্রণ, উদ্ধার কার্যক্রম এবং ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে সহায়তা দিতে জরুরি সেবা অব্যাহত রাখা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ ও বৃষ্টিপাতের ঘাটতি দাবানলের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ধারাবাহিক বড় ধরনের দাবানলের পরিপ্রেক্ষিতে দেশটিতে একটি জাতীয় দাবানল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা গঠনের দাবিও জোরালো হয়েছে।

এদিকে দাবানলের ধোঁয়ায় আলবার্টা, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, অন্টারিও এবং টরন্টোসহ কানাডার বিভিন্ন অঞ্চলে বায়ুর মান মারাত্মকভাবে অবনতি হয়েছে। এর প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলেও পড়েছে। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ শিশু, বয়স্ক এবং শ্বাসকষ্টজনিত রোগীদের অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, দাবানল পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফেডারেল সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। আগুনের বিস্তার ঠেকানো এবং ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/কানাডা/০৬ আগস্ট ২০২৬/এএ


Array

এই বিভাগের আরও সংবাদ