Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: এতে তখন তীব্র শীত থেকে মানুষ খানিকটা নিস্তার পেতে পারে। ৫ জানুয়ারির পর আবার তাপমাত্রা কমতে পারে। তখন দেশের কোনো কোনো অঞ্চলে আবার শৈত্যপ্রবাহও ফিরে আসতে পারে।’দেশে শৈত্যপ্রবাহ না থাকলেও তীব্র শীত অনুভূত হওয়ার কারণ সম্পর্কে ওমর ফারুক বলেন, ‘কুয়াশার কারণে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো পাওয়া যাচ্ছে না। শীতের সময় দিনের তাপমাত্রা কম থাকলে ভোগান্তি বাড়ে।

শীতকালে দিনের তাপমাত্রা মোটামুটি ১৭ ডিগ্রি বা এর ওপরে থাকলে কিছুটা আরামদায়ক অনুভূতি পাওয়া যায়। ১৭ ডিগ্রির নিচে নামলেই শীতের অনুভূতি তীব্র হতে শুরু করে। রবিবার চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু অঞ্চল ছাড়া দেশের বেশির ভাগ অঞ্চলেই দিনের তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি নিচে ছিল।’

এদিকে আগের দিনের মতো রবিবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় কিশোরগঞ্জের নিকলীতে, ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া দেশের অন্যান্য অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির ওপরেই ছিল। তবে প্রকৃত তাপমাত্রার তুলনায় দেশের অনেক অঞ্চলেই শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে।

প্রবাস বাংলা ভয়েস /ঢাকা/ ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ /এমএম

 


Array