প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: যারা ডায়েট পরিকল্পনা করেন তাদের মন স্বভাবতই কিছুটা খারাপ থাকে। ডায়েট করা মানেই ফাস্টফুড কিংবা পছন্দের খাবার খেতে মানা। কিন্তু আসলেই কি তাই? স্বাস্থ্যের পেছনে ছুটতে গিয়ে বর্তমানকে অস্বীকার করবেন কি? অবশ্যই নয়। সপ্তাহে একদিনের বেশি ফাস্টফুড খাবেন না। আবার খেলেও তা যেন সপ্তাহে একদিনই তো! যা মন চাই খাই যেন হয়ে না যায়।কিন্তু সপ্তাহে এই ফাস্টফুড কিংবা পছন্দের খাবার পরিমিত মাত্রায় কিভাবে খাবেন তা একবার জেনে নেওয়া ভালো নয় কি? চলুন জেনে নেই:
কোনো সপ্তাহে বার্গার বা এই জাতীয় খাবার খেলে ব্রাউনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খাবেন না। এমনকি খাবারের পর মিষ্টি খাওয়া চলবে না।চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স সম্পর্কে জেনে নিন। স্টার্টারে পিজ্জা জাতীয় খাবার খাওয়ার পাশাপাশি মিষ্টি খেলে গ্লাইসেমিক ইনডেক্সে পরিবর্তন হয়। এসব খাবারে খুব সহজেই ফ্যাটে পরিবর্তন হয়।মিষ্টিজাতীয় খাবার খেলে দেজার্ট হিসেবে খাবেন না। দুপুর কিংবা বিকেলের স্ন্যাক হিসেবে খেতে পারেন। এজন্য রস ফেলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
সর্বোপরি গ্লাইসেমিক ইনডেক্স নিয়ে কথা
সপ্তাহে একবার ফাস্টফুড খেলে স্লো কার্ব আর ফাস্ট কার্বের ফারাক ভেবে খেতে হবে। কিন্তু সেই হিসেবই বা বুঝবেন কিভাবে? যেসকল খাদ্যে ফাইবার বেশি এবং কার্বের জিয়াই কম সেসব খাবার খাওয়ার পর তেমন চিন্তা নেই। কিন্তু ফাস্ট কার্বের ক্ষেত্রে সাবধান থাকতে হবে। এই দুইয়ের মধ্যে ব্যালেন্স করতে হবে।
প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ০৬ নভেম্বর ২০২২ /এমএম





