Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: মধ্যপ্রাচ্যে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে টানা দ্বিতীয় সেশনে বেড়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম। অঞ্চলটিতে সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তেলের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি করেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) ৩টা ২৬ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.৪৯ ডলার বা ১.৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৬.৭৭ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১.৩৪ ডলার বা ১.৫ শতাংশ বেড়ে ৯৩.৯৪ ডলারে দাঁড়ায়। আগের সেশনেও উভয় বেঞ্চমার্কের দাম প্রায় ১ ডলার করে বেড়েছিল।

কেসিএম ট্রেডের প্রধান বিশ্লেষক টিম ওয়াটের বলেন, পারস্য উপসাগর থেকে তেল রপ্তানির পরিমাণ বাড়ছে—এমন একটি স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যাচ্ছে। তবে এই বৃদ্ধির বড় অংশ এখনো জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তরের মতো বিকল্প ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল।

তার মতে, এসব পদ্ধতি স্বাভাবিক কার্যক্রমের তুলনায় বেশি ব্যয়বহুল। এ কারণেই অপরিশোধিত তেলের দাম এখনো তুলনামূলকভাবে বেশি রয়েছে।

তথ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের প্রাথমিক হিসাবে, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে রপ্তানি বাড়ায় সেপ্টেম্বরে মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর অপরিশোধিত তেল রপ্তানি দৈনিক ১ কোটি ২৮ লাখ ব্যারেলে পৌঁছেছে। ফেব্রুয়ারির পর এটিই সর্বোচ্চ মাসিক রপ্তানি।

এদিকে সাত মাস ধরে চলা যুদ্ধের অবসানে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা পৃথকভাবে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন বলে দুই দেশের নেতারা জানিয়েছেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে গত সপ্তাহে ইরান যে সাত দিনের প্রস্তাব দিয়েছিল, সংশোধিত কোনো সংস্করণ নিয়ে পরবর্তী আলোচনায় অগ্রগতি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইউওবি বিশ্লেষকেরা এক নোটে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত এবং এর ফলে জ্বালানির দাম ও মূল্যস্ফীতির প্রত্যাশায় যে প্রভাব পড়তে পারে, সেটিই এখনো প্রধান ঝুঁকি।

তাদের মতে, হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আগে কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো নিয়ে ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। ফলে তেল সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তাও উচ্চ পর্যায়ে রয়ে গেছে।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/কানাডা/২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬/এএ


Array