Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক ::‌ দৈনন্দিন জীবনের বেশিরভাগ কাজেই মানুষের ভরসা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপরই বেশি। এতটা ডিজিটাল মাধ্যমে নির্ভরশীল হয়ে যেমন উপকৃত হচ্ছে মানুষ, তেমনি অপকারও কম হচ্ছে না।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে এক ধরনের প্রতি আসক্তি তৈরি হয়। এই জন্য অনেকে বিরতি নিতে চান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে। সেক্ষেত্রে প্রথমেই নিজের কাছে স্পষ্ট হোন ঠিক কী কারণে এই বিরতি। মানসিক চাপ কমানো নাকি কাজের মানোন্নয়ন, নাকি মানসিক স্বাস্থ্য, কী কারণে এই ‘ব্রেক’ সে সম্পর্কে স্পষ্ট হয়ে তার পরেই এগোন।

যা করতে পারেন
একবার আসক্তি হয়ে গেলে, আগে সময় এবং কাজ প্রতিস্থাপন করতে হবে। যে যে সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সময় অপচয় করতেন, এখন থেকে আস্তে আস্তে, ঐ সময়গুলোতে বিভিন্ন বিষয় এ জ্ঞান অর্জন বা নিজের যোগ্যতা বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করতে হবে। এছাড়া, আপনি যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে বিরতি নিচ্ছেন, সে কথা একবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচিতদের জানিয়ে দিতে পারলে ভালো। সেক্ষেত্রে তারা আপনাকে প্রত্যেক দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রত্যাশা করবে না। বোঝাবুঝি পরিষ্কার থাকবে।

যে কোনও অভ্যাস বন্ধ করতে হলে, সে জায়গায় কোনও বিকল্প দরকার। এক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সময় কাটানো বন্ধ করলে যে সময়টা পাবেন, তখন অন্য কোনও কাজে মন দিতে পারেন। বাগানের পরিচর্যা, ছবি-আঁকা, গান শেখা, বই পড়া অনেক কিছুই করা যেতে পারে ওই সময়টায়। এমনকি, অনলাইনে অসংখ্য ইভেন্ট রয়েছে, কুইজ প্রতিযোগিতা, ডিজিটাল আর্ট, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন ইত্যাদি তে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারেন।

যে অ্যাপের কারণে এত আসক্তি, সেগুলি ধীরে ধীরে মোবাইল থেকে ‘আনইনস্টল’ করুন। একবার আনইনস্টল করে ফেললে অ্যাপটি ব্যবহার করা সামান্য হলেও কঠিন হয়ে উঠবে। তাতে সামাজিক যোগোযোগমাধ্যমের ব্যবহার কমবে। যখনই মনে হবে ফ্রি সময় পেলেন, হাতে মোবাইল না নিয়ে, পরিবার এর বিভিন্ন ছোট খাটো যেকোনো কাজ এ লেগে যান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আড়াল ছেড়ে সামনাসামনি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে পারলে ভালো হয়। জীবনের ব্যস্ততা কমবে না। তার মধ্যে যতটা সম্ভব, প্রিয়জনদের সঙ্গে সামনাসামনি দেখা করে কথা বলুন। তাতে ভার্চুয়াল দুনিয়ার ভুল বোঝাবুঝিও কম হয়, বাস্তবের বোঝাপড়ার ভিত্তিতে সখ্যতাও তৈরি হবে।

প্রবাস বাংলা ভয়েস /ঢাকা/ ২৫ জানুয়ারি ২০২৪ /এমএম

 

 


Array