Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক ::‌ নাগরিক জীবনে সময়ের অজুহাতে অনেকেই স্বাস্থ্য বা সৌন্দর্যের প্রতি অবহেলা করে থাকেন। ব্যায়াম না করাতে শরীরে ভর করে স্থূলতা, যা শারীরিক সৌন্দর্যের হানি ঘটায়। তাই সুন্দর জীবনের জন্য চাই সুস্বাস্থ্য। আর সেটা হতে পারে কিছু সু-অভ্যাসের মাধ্যমে। সহজ করে বললে, বদ–অভ্যাসগুলোকে বিদায় করে, নিজেকে মানিয়ে নিতে হবে সু-অভ্যাসে। সকালের সু–অভ্যাসের চর্চা শুধু ওজনই কমাবে না, শরীরকে রাখবে প্রাণবন্ত।

ঘুম থেকে উঠে পানি পান: ডায়েট করেন আর ব্যায়ামই করেন, সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পান করুন দুই গ্লাস স্বাভাবিক পানি। পানিতে ক্যালরি থাকে না, উল্টো ক্যালরি কমাতে সাহায্য করে। যদি ওজন কমাতে চান, তাহলে প্রতিদিন তিন লিটার পানি পান করবেন।

বিশুদ্ধ খাবার পানিতে ক্যালরি থাকে না, উল্টো ক্যালরি কমাতে সাহায্য করে
সকালের মিষ্টি রোদের পরশ: সুস্থ ও সুন্দর থাকতে সকালের মিষ্টি রোদের পরশ শরীরের মাখতে হবে। রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বা ইমিউনিটি বাড়ানো ছাড়াও ভিটামিন ডি দাঁত, হাড় ও মাংসপেশিকে সুস্থ রাখে। সকালের রোদ শরীরের মেটাবলিজমের ওপর প্রভাব ফেলে, ওজন কমায়।

সকালের ব্যায়াম: সকালে ঘুম থেকে উঠে খানিক শরীরচর্চা করার অভ্যাসের প্রচলন প্রাচীনকাল থেকেই হয়ে আসছে। সকালে না খেলেও শরীরে জমে থাকা সুগার বা গ্লাইকোজেনে থাকে এনার্জি। সকালবেলা এক ঘণ্টা খেলা বা দৌড়ালে দ্রুত সুফল পাওয়া যায়। নাশতার আগের ব্যায়াম শরীরের ফ্যাট বার্ন করে, ওজন কমায়।আয়ুর্বেদ মতে, সকালে গোসল করাটা উত্তম

নাস্তায় প্রোটিন ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার: সারাদিনে শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাতে সকালের নাস্তা খাওয়াটা বেশ জরুরী। স্বাস্থ্যসম্মত সকালের নাস্তা হতে পারে ক্যালসিয়াম এবং আঁশ জাতীয় খাবারের ভালো উৎস। খেতে পারেন প্রোটিন ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার। বেরি জাতীয় ফল, ওটমিল, বাকহুইট, গ্রিন টি, ডিম, ফ্ল্যাকসিড বা তিসি, কাঠবাদাম, চিয়া সিড, ইস্ট ছাড়া রুটি ইত্যাদি খেতে পারেন।

গোসলে প্রশান্তি: মন ও শরীরকে সতেজ এবং সুস্থ রাখতে গোসলের কোনো বিকল্প নেই। গরমের সময়টাতে সকাল ও রাতে গোসল করার অভ্যাস করলে বিভিন্ন রোগবালাই থেকে মুক্ত থাকা যায়। তবে আয়ুর্বেদ মতে, সকালে গোসল করাটা উত্তম। এতে শারীরিক ও মানসিক প্রশান্তি পাওয়া যায়।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ১০ মে  ২০২২ /এমএম