Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক ::‌ অটিজম আক্রান্ত শিশুরা যেন সমাজের মূলধারায় আর দশজন মানুষের মতো নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে পারে সেই বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, এই শিশুদের লুকায়িত সুপ্ত প্রতিভা বের করে আনতে হবে, প্রতিভা বিকাশের সুযোগ করে দিতে হবে। কেউ যেন তাদের বাবা-মার জন্য বোঝা মনে না করে। তারা যেন জীবনকে সুন্দর করতে পারে সেই জন্য তাদের সঠিক পরিচর্যা করতে হবে।

শনিবার বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। তিনি গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানে সংযুক্ত হন।বিশ্বজুড়ে এবার পালন করা হচ্ছে ১৫তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস। দিবসটির এবছরের প্রতিপাদ্য ‘এমন বিশ্ব গড়ি, অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তির প্রতিভা বিকশিত কর ‘।অটিজম আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে ২০০৮ সাল থেকে কাজ করছেন শেখ হাসিনা তনয়া সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার এই কাজের স্বীকৃতির পাশাপাশি বেশ কিছু সম্মাননাও পেয়েছেন তিনি।

পুতুলের অবদানের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘পুতুল কাজ শুরু করার পর দেশে মানুষের মধ্যে অটিজম সচেতনতা বেড়েছে। তারা এখন আর শিশুদের ঘরে বন্দি করে রাখেন না। ’অটিজম আক্রান্ত শিশুর প্রতি সদয় দৃষ্টিভঙ্গি রাখতে হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তারা আলাদা কোনো ব্যক্তি নয়। তাদের আপন করে নিতে হবে। যারা একটু কম অসুস্থ, তাদের সাধারণ স্কুলে নিয়ে গেলে তারা স্বাভাবিক ছেলেমেয়েদের সাথে মেলামেশার সুযোগ পাবে। অন্য শিশুদের সঙ্গে তারা শেয়ার করতে পারবে। সেখানে তারা বন্ধুত্ব করুক, মারামারি করুক….একসময় তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস জন্মাবে। এভাবেই তারা অনেকটা ভালো হয়ে যাবে।’

প্রধানমন্ত্রী জানান, অটিজম আক্রান্ত শিশুর দেখভাল, শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্য মা-বাবা, শিক্ষক ও সেবকদের বিশেষ প্রশিক্ষণের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। এছাড়া অটিস্টিক শিশুদের জন্য সরকার ‘বলতে চাই’ ও ‘স্মার্ট অটিজম বার্তা’ নামক দুটি অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করেছে। এছাড়া এনডিডি সুরক্ষা ট্রাস্টের আওতায় চলতি বছর ১৪টি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে ‘অটিজম ও এনডিডি সেবাকেন্দ্র’ প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ০২ এপ্রিল ২০২২ /এমএম

 


Array