Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক ::‌ নানা সমালোচনার মুখে থাকা ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশনকে (আইপি টিভি) একাধিক শর্তে অনুমোদন দেওয়া ‍শুরু করল সরকার। প্রথম পর্যায়ে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে ১৪টি আইপি টিভি।রবিবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের টিভি-২ শাখার এক আদেশে এসব আইপি টিভিকে নিবন্ধনের অনুমতির কথা জানানো হয়।

যেসব আইপি টিভি নিবন্ধন পেয়েছে সেগুলো হলো- মুভিবাংলা.টিভি, জাগরণ.টিভি, রুপসীবাংলা.টিভি, হারনেট-টিভি, বিজনেস.সাইট, মাটিএন্টারটেইনমেন্ট.টিভি.কম, ফ্লিক্সআরকে.টিভি, রাজধানী.টিভি, বিএন.ভয়েসটিভি.টিভি, জেএটিভিবিডি.কম, নিউজ২১বাংলা.টিভি, জাগরণী.টিভি, সোবাইপ্রাইমটিভি.কম, দেশবন্ধুটিভি.কম, সিএইচডিনিউজ২৪.টিভি।

এসব আইপি টিভির নিবন্ধনে কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। সেগুলো হলো- অনুষ্ঠান তৈরি ও প্রচারের ক্ষেত্রে জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা-২০১৪, জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা-২০১৭ (সংশোধিত ২০২০) এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকরা অন্যান্য আইন, বিধিমালা, নীতিমালা, পরিপত্র/নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

বিদ্যমান কপিরাইট আইনের সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধান মেনে চলতে হবে। এ আইনের কোনো ধারা যেন লঙ্ঘিত না হয়, সেদিকে বিশেষভাবে সচেতন থাকতে হবে।বাংলাদেশে বিদ্যমান সেন্সরশিপ কোড যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে। সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত আইন বা বিধি-বিধান অনুসরণপূর্বক নিবন্ধনের জন্য কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত হারে নিবন্ধন ফি, বার্ষিক নবায়ন ফি জমা দিতে হবে।

দেশে বেশ কয়েক বছর ধরে ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশন (আইপি টিভি) কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। যাদের সংবাদ প্রচারের সুযোগ না থাকলেও প্রতিদিন একাধিক সময় তারা সংবাদ দেখাত। এমন অনেক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগও রয়েছে।

কয়েক মাস আগে জয়যাত্রা নামের একটি আইপি টিভির মালিক হেলেনা জাহাঙ্গীর মাদকসহ গ্রেপ্তার হওয়ার পর আইপি টিভি নিয়ে জোরেসোরে আলোচনা শুরু হয়। অনুমোদনহীন আইপি টিভি বন্ধে কাজ শুরু করে সরকার। গত সেপ্টেম্বরে অনুমোদনহীন ৫৯টি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে ডোমেইন কিনে ফেসবুক বা ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে জনগণকে আইপি টিভি দেখাচ্ছে, যার বৈধ অনুমোদন নেই। অনুমোদন ছাড়া এমন সম্প্রচার অনৈতিক এবং টেলিযোগাযোগ আইনের ব্যত্যয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, স্যাটেলাইট টেলিভিশনে প্রচারিত কন্টেন্টগুলো ইন্টারনেট প্রটোকল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সম্প্রচার করার প্রক্রিয়া আইপি টিভি। বিটিআরসি শুধু লাইসেন্সধারী আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইপিভিত্তিক ডাটা সার্ভিস (স্ট্রিমিং সার্ভিস, আইপি টিভি, ভিডিও অন ডিমান্ডের) অনুমোদন দিয়ে থাকে।

এরপর সরকারের তথ্যমন্ত্রী জানান, আইপি টিভিকে অনুমোদনের আওতায় আনা হচ্ছে।অনুমোদন পেতে ছয় শতাধিক প্রতিষ্ঠান মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে বলে জানা গেছে। এরই ধারাবাহিকতায় অনুমোদন দেওয়া হলো এসব আইপি টিভিকে।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ১০ নভেম্বর  ২০২১ /এমএম