Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: বিশ্বের দূষিত শহরের দিক থেকে পঞ্চম স্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। এই সময়ে রাজধানীর এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) ছিল ১৫৮, যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

বুধবার (০১ এপ্রিল) সকাল সোয়া ৮টার দিকে বৈশ্বিক বায়ুদূষণ পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইকিউএয়ারের তালিকায় দেখা যায়, ঢাকার বায়ুর মান ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ করে শিশু, প্রবীণ এবং শ্বাসকষ্ট বা হৃদরোগে আক্রান্তদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

তালিকার শীর্ষে রয়েছে থাইল্যান্ডের চিয়াং মাই, যার একিউআই স্কোর ২৩৫—এটি ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ স্তরে। দ্বিতীয় স্থানে ভারতের কলকাতা (১৬৫), তৃতীয় চীনের সাংহাই (১৫৮) ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে নেপালের কাঠমান্ডু (১৫৩)। এরপরই পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে ঢাকা।

এছাড়া তালিকার অন্যান্য শহরের মধ্যে রয়েছে—ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা (১৪২), মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন (১৩৭), চীনের উহান (১৩২), ভারতের দিল্লি (১২৪) ও রাশিয়ার ক্রাসনোইয়ার্স্ক (১১২)।

মূলত একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়। আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।

২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাইরের কার্যক্রম সীমিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। আর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ পর্যায়ে পড়ে, যা গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের কয়েকটি প্রধান উপাদানের ওপর ভিত্তি করে—বস্তুকণা (পিএম-১০ ও পিএম-২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (NO₂), কার্বন মনোক্সাইড (CO), সালফার ডাই-অক্সাইড (SO₂) এবং ওজোন (O₃)।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বস্তুকণা পিএম-২.৫ সবচেয়ে ক্ষতিকর, যা সরাসরি ফুসফুসে প্রবেশ করে ক্যানসার, হৃদরোগসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। এছাড়া যানবাহনের ধোঁয়া, শিল্পকারখানার নির্গমন এবং জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বায়ুদূষণ ক্রমেই বাড়ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে নগরবাসীর জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠছে।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/কানাডা/০১ এপ্রিল ২০২৬/এএ


Array