প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: বেগুনের অনেক গুণ আছে— অনেকেই তা মানতে চান না। এটি খনিজ ও ফাইবার সমৃদ্ধ একটি সবজি। এটি হার্ট সুস্থ রাখে, কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়, ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং শরীরকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে। এটি ক্যালোরি, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাটের একটি ভালো উৎস। যা শরীরের ক্ষয় পূরণ করতে ও সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। জেনে নিন বাজার থেকে বেগুন কেনার সময় কীভাবে বুঝবেন তা ভালো নাকি খারাপ, ভেতর পোকা আছে নাকি বেশি বীজ ভরা।
বাজার থেকে বেগুন কেনার সময় কী দেখে কেনা উচিত, যাতে বাড়িতে পোকা হওয়া বেগুন নয়, ভালো বেগুন নিয়ে আসা যায়? নিম্নে এ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হল —
বেগুনের বাইরের ত্বকের রং ও টেক্সচার– বেগুনের খোসা চকচকে, মসৃণ আর টানটান হলে সেটা টাটকা। খোসায় দাগ, গর্ত, বা হালকা বাদামি/হলুদ ছোপ থাকলে বুঝবেন ভেতরে সমস্যা থাকতে পারে।
বেগুনের ডাঁটি– সবুজ ও টাটকা ডাঁটি মানে নতুন বেগুন। শুকনো বা বাদামি হয়ে গেলে বেগুন পুরনো বা নরম হয়ে গেছে।
চাপ দিয়ে দেখা– বেগুনের গায়ে আঙুল দিয়ে হালকা চাপ দিন। চাপ দিলে যদি আবার আগের মতো টানটান হয়ে যায়, তা হলে বুঝতে হবে সেটি ভালো বেগুন। আর যদি দেখেন, বেগুন ভেতরের দিকে ঢুকে যাচ্ছে, নরম লাগছে, তা হলে বুঝতে হবে ভেতর থেকে তা নষ্ট হয়ে গিয়েছে বা পোকা ঢুকে পড়েছে।
ওজন ও আকার– আকারে বড় কিন্তু অস্বাভাবিক হালকা বেগুন সাধারণত ভেতরে ফাঁপা বা পোকার কাটা থাকে। তুলনামূলকভাবে ছোট ও ভারি বেগুন ভালো হয়।
ছিদ্র বা ছোট গর্ত আছে কিনা– গায়ে ছোট ছিদ্র থাকলে সেটাই হয়ে থাকে পোকার প্রবেশদ্বার। এ ধরনের বেগুন না নেওয়াই ভালো।
বাড়িতে এনে কীভাবে বেগুন সংরক্ষণ করবেন?
বেগুন ফ্রিজে বেশি ঠান্ডায় রাখলে তাড়াতাড়ি কালচে হয়ে যায়। তাই কাগজে মুড়ে বা কাপড়ে জড়িয়ে ফ্রিজের ভেজিটেবল বক্সে রাখুন। ২–৩ দিনের মধ্যে ব্যবহার করলে একেবারে টাটকা স্বাদ পাওয়া যায়।
প্রবাস বাংলা ভয়েস /ঢাকা/ ৩১ আগস্ট ২০২৫ /এমএম