Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক ::  চিয়া বীজ শরীরে একাধিক উপকার করে থাকে। এটা অনেকেই নিয়মিত খেয়ে থাকি। এতে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ফাইবার এবং প্রোটিন। এর জন্য চিয়া বীজ ভীষণ জনপ্রিয়। বিশেষ করে দেহের ওজন কমাতেও এ বীজ খেলে খুবই উপকার পাওয়া যায়।দই, কর্নফ্লেক্স, স্মুদি— নানাভাবে চিয়া বীজকে ব্যবহার করা যায়। কিন্তু জানেন কি? চিয়া বীজ সঠিকভাবে না খেলে শরীরের ক্ষতিও হতে পারে। বিশেষ করে তা যদি শুকনো হয়, বড় ধরনের ক্ষতিও হতে পারে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, যেভাবে খেলে আপনার শরীরে কোনো ক্ষতি হবে না—

প্রথমত চিয়া বীজ শুকনো খেলে অনেক সময়েই তা গলায় আটকে যায়। এরপর জলীয় অংশ শোষণ করে তা আরও ফুলে যায়। ফলে ব্যক্তির দম বন্ধ হয়ে যেতে পারে। শুকনো চিয়া বীজ পেটে গিয়েও পাকস্থলী থেকে জলীয় অংশ শোষণ করে। ফলে দেহে পুষ্টিগুণ শোষণের তারতম্য হতে পারে।

দ্বিতীয়ত চিয়া বীজ শুকনো খেলে তা অনেকের ক্ষেত্রে হজমের সমস্যা তৈরি করতে পারে। বীজের বাইরের খোলসটি মোটা হয়। ফলে তা হজম হতে বেশি সময় লাগে। পেটফাঁপা কিংবা অনেক সময় পেটব্যথাও হতে পারে। তাই সবসময়ে এ বীজ পানিতে ভিজিয়ে খাওয়া উচিত। বিশেষ করে রাতে পানি দিয়ে ভিজিয়ে রেখে পরদিন সকালে খালি পেটে খেলে বড় উপকার পাওয়া যায়।

এ ছাড়া একসঙ্গে বেশি পরিমাণে চিয়া বীজ খাওয়া ঠিক নয়। কারণ এতে আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। তাই একবারে দুই চা চামচ বা ৩০ গ্রামের বেশি চিয়া বীজ খাওয়া ঠিক নয়।রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে চিয়া বীজ খাওয়া উচিত নয়। কারণ চিয়া বীজ হজম করতে সময়ের প্রয়োজন হয়। এটি ধীরে ধীরে হজম হয় বলে রাতে চিয়া বীজ খেয়ে ঘুমাতে গেলে হজমের সমস্যার কারণে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

আবার চিয়া বীজ রক্তের ঘনত্ব কমাতে সাহায্য করে। তাই যারা রক্তচাপজনিত সমস্যায় ভুগছেন, তাদের ক্ষেত্রে রক্তক্ষরণের আশঙ্কা বেশি থাকে। আর অনেক সময় চিয়া বীজ রক্তে শর্করার মাত্রা ব্যাপক হারে কমিয়ে দিতে পারে। তাই নিয়মিত চিয়া বীজ খাওয়ার আগে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত।

প্রবাস বাংলা ভয়েস /ঢাকা/ ২৯ আগস্ট ২০২৫ /এমএম


Array