Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: শরীর সুস্থ রাখতে সুষম খাবার ও নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্ব অনেক। তবে আজ চাইলে একটু ভিন্নভাবে দিনটি কাটাতে পারেন। কারণ প্রতি বছর ৬ মে বিশ্বজুড়ে পালিত হয় আন্তর্জাতিক ‘নো ডায়েট ডে’। এই দিনের মূল বার্তা হলো, কঠোর ডায়েটের চাপ থেকে বের হয়ে নিজের শরীরকে ভালোবাসা এবং খাবারের সঙ্গে স্বাভাবিক, আনন্দময় সম্পর্ক তৈরি করা।

অনেক মানুষ নিজের শরীরের ওজন বা গড়ন নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তায় ভোগেন। কখনো কখনো এটি মারাত্মক মানসিক ও শারীরিক সমস্যার রূপ নেয়, যেমন অ্যানোরেক্সিয়া,যেখানে খিদে থাকা সত্ত্বেও খাবারের প্রতি ভয় বা অনীহা তৈরি হয়। মেরি নিজেও এই সমস্যায় ভুগেছিলেন। পরে সুস্থ হয়ে তিনি ‘ডায়েট ব্রেকার্স’ নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন এবং ক্ষতিকর ডায়েট সংস্কৃতির বিরুদ্ধে কাজ শুরু করেন।

নব্বইয়ের দশক থেকেই ‘নো ডায়েট ডে’ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং ধীরে ধীরে এটি বিশ্বজুড়ে পরিচিত হয়ে ওঠে। আজও এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় – শরীরকে শুধু একটি নির্দিষ্ট গড়নে বাঁধার চেষ্টা না করে, তাকে গ্রহণ করা জরুরি।

তবে এই দিবসের মানে এই নয় যে, স্বাস্থ্যকর খাবার বা সুষম ডায়েটের গুরুত্ব নেই। বরং এটি শেখায়, অতিরিক্ত কড়াকড়ি বা অস্বাস্থ্যকর ডায়েটের চাপে না পড়ে, ভারসাম্য বজায় রেখে খাওয়া-দাওয়া করা উচিত।

এই দিবসটি চালু করেন ব্রিটিশ অধিকারকর্মী মেরি ইভান্স ইয়াং। ১৯৯২ সালে তিনি এই উদ্যোগ নেন, যাতে মানুষ শরীর নিয়ে নেতিবাচক ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে পারে এবং বডি শেমিং বা শরীর নিয়ে উপহাসের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়ে।

নিজের শরীরকে ভালোবাসা, অযথা তুলনা না করা এবং আনন্দের সঙ্গে খাবার গ্রহণ – এই ছোট ছোট বিষয়গুলোই দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকার মূল চাবিকাঠি। আজকের দিনটি হতে পারে সেই সচেতনতার একটি ছোট শুরু।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/কানাডা/০৬ মে ২০২৬/এএ


Array