প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: ঈদুল আজহা সামনে রেখে কোরবানির হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। পাশাপাশি বাড়ছে করোনায় সংক্রমণের হারও। নিজের ও পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য বিধিনিষেধ মানতে হবে হাটে গেলে। আর পশু কিনতে কিছু সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ অসাধু কিছু ব্যবসায়ী ঈদকে পুঁজি করে বিভিন্ন রোগা গরু-ছাগল বিক্রির তৎপরতা চালায়। মহান আল্লাহকে সন্তুষ্টির জন্য যে কোরবানি তার জন্য অবশ্যই ধর্মীয় বিধিনিষেধ মেনে সুস্থ-সবল পশু কিনতে হবে। অন্যথায় কুরবানি হবে না।অসাধু ব্যবসায়ীরা অনেক সময় আলকাতরা, কালো রং, কাদামাটি দিয়ে গরুর খুরারোগ লুকানোর চেষ্টা করে
যদি গাভি কোরবানি দিতে কেউ ইচ্ছুক হোন তবে গাভিটি গর্ভবতী কিনা তা অবশ্যই পরীক্ষা করে নেবেন। প্রয়োজনে পশু ডাক্তার বা অভিজ্ঞ কোনো ব্যক্তি দিয়ে পরীক্ষা করাতে পারেন।গরুর খুরারোগ আছে কিনা পরীক্ষা করে দেখবেন। খুরারোগ থাকলে পায়ে ঘা থাকবে। অসাধু ব্যবসায়ীরা অনেক সময় আলকাতরা, কালো রং, কাদামাটি দিয়ে ঘা লুকানোর চেষ্টা করে। তাই ভালো করে দেখে তারপর গরু-মহিষ কিনবেন।গরুর বয়স কত, সেটা গরুর দাঁত দেখে অনুমান করা সম্ভব। প্রয়োজনে গরুকে খড় বা অন্য কোনো খাবার খাইয়ে পরীক্ষা করতে পারেন।
গরুর গায়ে ব্যথা হলে খেয়াল করলেই বুঝবেন গরু কম নড়াচড়া করছে গরু অন্ধ বা শিং ভাঙা, গায়ে কোনো কাটা বা ক্ষত আছে কিনা, রোগে আক্রান্ত কিনা তা সূক্ষ ভাবে খেয়াল করতে হবে। সন্দেহ হলে প্রয়োজনে পশু ডাক্তারের শরণাপন্ন হবেন কিংবা ওই পশুটি কেনা থেকে বিরত থাকবেন।বর্ষার সময়টাতে গরুর খুরারোগ যেমন হতে পারে তেমনই বদহজম, পেট ফাঁপা, পাতলা পায়খানা, সর্দি, কাশি, জ্বর, গায়ে ব্যথাও দেখা দেতে পারে। কেনার আগে যাচাই করে তবেই কিনবেন।গরুর গায়ে ব্যথা হলে খেয়াল করলেই বুঝবেন গরু কম নড়াচড়া করছে। সর্দি হলে লালা ঝরবে, কাশি হলে কাশতে পারে। অন্যদিকে একই বিষয়গুলো ছাগল কেনার ক্ষেত্রেও খেয়াল করবেন। বিশেষ করে মুখে ঘা, পেট ফাঁপা রোগ আছে কিনা লক্ষ রাখতে হবে।
প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ০৪ জুলাই ২০২২ /এমএম





