Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক ::‌ অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ। পেটে মেদ জমে। এই পেটের মেদ এমন একটি বিষয় যার ফলে শারীরিক সৌন্দর্যের হানি ঘটে। মনে রাখতে হবে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক সৌন্দর্য ধরে রাখাটাও খুব বেশি দরকার।পেটের চর্বি বা মেদ শরীরের অন্যান্য মেদের চেয়ে আলাদা এবং বেশি ক্ষতিকর। পেটের মেদ ত্বকের নিচে ও পাশাপাশি যকৃৎ, কিডনি ও অন্যান্য অভ্যন্তরীণ অঙ্গের গায়ে লেগে থাকে। সে কারণে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও শারীরিক অন্যান্য সমস্যার সঙ্গে পেটের চর্বির জোরালো সম্পর্ক রয়েছে।

পেটের চর্বির কারণে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও শারীরিক অন্যান্য সমস্যা হতে পারে
সাধারণত পেটের মেদ কমানোর জন্য সময় বেশি লাগে। প্রথমেই খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তনও আনতে হবে। একবারে পেট ভরে খাবার না খেয়ে অল্প পরিমাণে পাঁচ-ছয়বারে খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। আর খাওয়ার আধা ঘণ্টা পর পানি পান করবেন। ঘুমানোর দুই ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খাবেন।সকালে খালি পেটে ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা ব্যায়াম করতে হবে। যদি সকালে সম্ভব না হয় তাহলে সন্ধ্যা বা রাতের দিকে অবশ্যই ব্যায়াম করতে হবে।

সকালে খালি পেটে ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা ব্যায়াম করতে হবে। যদি সম্ভব না হয় তাহলে সন্ধ্যা বা রাতে করতে হবেঅনেকেই পেটের চর্বি কমানোর জন্য বেলি স্ট্রোক, মানে পেটের মাংসপেশির ব্যায়াম করেন। এতে পেটের পেশির আকৃতি সুন্দর হলেও চর্বি কমে না। তাই পেটের চর্বি কমাতে দেহের সার্বিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম এবং একই সঙ্গে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসই যথেষ্ট।

প্রতিদিন ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট হালকা জগিং বা জোরে হাঁটলে উপকার পাবেন। কারণ এর ফলে দেহে সঞ্চিত চর্বি ভাঙতে শুরু করে এবং পেশি তা ব্যবহার করে। এই সময়ের পর আরও ১০ থেকে ১৫ মিনিট জগিং করলে বা জোরে হাঁটলে প্রতিদিন একটু একটু করে জমানো চর্বি কমতে থাকবে।

অনেকেই পেটের চর্বি কমানোর জন্য বেলি স্ট্রোক, মানে পেটের মাংসপেশির ব্যায়াম করেন
ধৈর্য রাখতে হবে, এক বা দুই মাস করে হাল ছেড়ে দিলে চলবে না। মনে রাখতে হবে আপনার পেটের চর্বি এক বা দুই মাসে জমেনি। তাই কয়েক মাস ব্যায়াম, নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে দেখুন, পেটের মেদ বা চর্বি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ২৩ ফেব্রুয়ারি  ২০২২ /এমএম


Array