Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক ::‌ ধূমপানে বিষপান—এ কথা কমবেশি সবারই জানা। অনেকেই জেনে-বুঝে স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে দীর্ঘদিন ধূমপান করে যাচ্ছেন। যখন বোধোদয় হয়, তখন আজ না হয় কাল করে সিগারেটের নেশা আর ছাড়তে পারেন না।ধূমপায়ীদের ক্রনিক অবসট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি) সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এটি শ্বাসযন্ত্রের বাতাস প্রবাহের পথ সরু করে ফেলে। ব্রংকাইটিস ও এমফিসেমার মতো সমস্যা তৈরি হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য মতে সিওপিডি সমস্যাটা শুরু হয় ধূমপান থেকে এবং বিশ্বজুড়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যুর কারণ এই সিওপিডি।

ধূমপান করার ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কমে যায়। লেবু জাতীয় ফলের মধ্যে থাকে ভিটামিন সি, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে যারা অতিরিক্ত ধূমপান করেন, তারা শরীরের ভেতরে দিনের পর দিন ক্ষতি করে একটা সময় পর অসুস্থ হয়ে পড়েন। যারা সিগারেটের নেশা ছাড়তেই পারছেন না, তারা সুস্থ থাকতে কিছু খাবার বেশি বেশি খেতে পারেন। যদিও এতে এটা প্রমাণ হয় না যে, এসব খাবার ধূমপান করতে কাউকে প্ররোচিত করবে। সবচেয়ে ভালো হলো ধূমপান না করা।

লেবু: লেবু জাতীয় ফলগুলো প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখার চেষ্টা করবেন। যেমন-কমলালেবু, বাতাবি লেবু, জাম্বুরা ইত্যাদি। একবার ধূমপান করার ফলে যে পরিমাণ নিকোটিন শরীরে জমা হয়, তা অনেকদিন অবধি শরীরে থেকে যায়। ত্বকের কোষ ও রোমকূপের ক্ষতি করে। তাছাড়া নিয়মিত ধূমপান করার ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কমে যায়। লেবু জাতীয় ফলের মধ্যে থাকে ভিটামিন সি, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ত্বকের কোষের ক্ষতিপূরণেও সাহায্য করে।প্রতিদিন কাঁচা আদা খেলে ফুসফুসে নিকোটিন স্তর পরিষ্কার হয়

আদা: ধূমপানের ফলে শরীরে যে নিকোটিন জমা হয়, তা রক্ত সঞ্চালনে ব্যাঘাত ঘটায়। রক্তে নিকোটিনের মাত্রা কম করতে সাহায্য করে আদা। প্রতিদিন কাঁচা আদা খেলে ফুসফুসে নিকোটিন স্তর পরিষ্কার হয়। পাশাপাশি ধূমপানের নেশাও কমে।

বেদানা: ধূমপানের ফলে স্বাভাবিকের তুলনায় হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়। রক্তচাপ বেড়ে গিয়ে অক্সিজেনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। বেদানা খেলে রক্তের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। রক্ত সঞ্চালনও ভালো হয়।

বাদাম: ধূমপান করার ফলে রক্তনালী সঙ্কুচিত হয়ে যায়। বাদামের মধ্যে থাকা ভিটামিন ই রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রেখে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।আপেল ও নাশপাতির মতো ফল ধূমপায়ীদের জন্য উপকারী

গাজর: ধূমপানের অভ্যাস শরীরে ভিটামিন এ ও সি-এর মাত্রা কমিয়ে দেয়। প্রতিদিন গাজর খেলে ভিটামিন এ, সি, ও কে- এর সঠিক মাত্রা বজায় থাকে।

অন্যান্য ফল: প্রতিদিন খাবারের ৫ ভাগ ফল ও সবুজ পাতাযুক্ত সবজি খেলে ধূমপায়ীদের ক্রনিক অবসট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি) সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে। এ জন্য আপেল ও নাশপাতির মতো ফল খেতে পারেন। কারণ যারা প্রতিদিন খাবারের পাঁচ ভাগ ফল ও সবজি খান, তারা প্রায় ৩৫-৪০ শতাংশ সিওপিডি তৈরির কম ঝুঁকিতে থাকেন।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ০৮ ফেব্রুয়ারি  ২০২২ /এমএম


Array