Menu

বাংলানিউজসিএ ডেস্ক :: করোনা মরণ কামড় বসিয়েছে বিশ্বজোড়া। বাড়ছে লকডাউন। জীবনযাপনেও আসবে পরিবর্তন। ভয় আর উদ্বেগের এই দীর্ঘ সময়ে আসবে মানসিক পরিবর্তনও। তাই অনুভূতিগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে সামলে নিতে হবে নিজেকে। জীবনে ভারসাম্য নিয়ে আসুন:

বাড়ি থেকে কাজ করাটা দূর থেকে মধুর শোনালেও পেশাগত আর ব্যক্তিগত জীবনে ভারসাম্য আনা খুবই জটিল। ঘর মানেই প্রিয়জনের জন্য সবটুকু সময়। আর অফিস আবেগ থেকে অনেক দূরে। সেখানে শুধুই কাজ। আর ঘরে বসে সেই কাজে কিছুটা বিরতি দেওয়া মানেই বিলাসিতার নামান্তর! তাই অফিস এবং ঘরের ভারসাম্য যুদ্ধে যদি অস্থির লাগে তাহলে ভেবে নিতে হবে এই যাত্রায় আপনি একা নন। সবাই মহামারির সময়টাকে পাড়ি দিচ্ছে এভাবেই।

সময় অপচয়ের অপরাধবোধ কাটিয়ে উঠুন:

হঠাৎ এই দীর্ঘ অবসরে যাদের হোম অফিস নেই, প্রচুর সময় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ভেবে অস্থিরতা আসতে পারে। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া হাজার রকম খবর মনটাকে বিষিয়ে তুলতে পারে। সময় অপচয় করার অপরাধবোধে ভুগতে থাকলে সময়ের অভাবে না করতে পারা সেই পুরনো শখগুলো আবার নতুন করে শুরু করুন। এছাড়াও যেকোনো একটি ভাষা শিখে নিতে পারেন কিংবা পেশাগত কাজে লাগে এমন কোন একটা দক্ষতা এই অনলাইনের যুগে অর্জন করা যেতেই পারে। আর অবশ্যই মনে রাখতে হবে আমরা একটি মহামারির সময়ে আছি। পেশাগত উৎকর্ষতা বাড়ানোর জন্য ঘরে বসে নেই বরং প্রাণটাকে বাঁচিয়ে রাখার যুদ্ধ করছি।
আশা বাঁচিয়ে রাখুন:

যদিও করোনায় প্রতিদিনের মৃত্যুর খবরে হতাশা আসবেই। অনাগত ভবিষ্যৎ নিয়ে মন উদ্বিগ্ন হবেই। এ সব কিছুর ব্যাপারে ইতিবাচক থাকাটা সত্যিকার অর্থেই বেশ কঠিন। যদি এই হতাশাগুলো কাজ করে তাহলে নিয়মিত ব্রেকিং নিউজগুলো শুনতে থাকুন। প্রতিদিনের সুস্থ হওয়ার তালিকা দেখতে থাকুন। নিজেকে মোটিভেটেড রাখুন, ভালো চিন্তা করুন। সুদিন নিশ্চয় ফিরবে।
প্রযুক্তির স্পর্শে রাখুন প্রিয়জনকে: ঘরবন্দীর সময়ে যারা প্রিয়জন থেকে অনেক দূরে তাদের জন্য সময়টা সত্যিই কঠিন। একা থাকা অপরদিকে পরিবারের সুরক্ষার চিন্তা আসবেই। এই দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিবে প্রযুক্তি। ভিডিও কলে সহজেই প্রিয়জনের সান্নিধ্যে যেতে পারেন দূরে থেকেও। তাই নিজেকে একা ভাববেন না। দূরে থেকেও প্রিয়জনের কাছাকাছি থাকুন।

নিজেকে সময় দিন:

মহামারির প্রতিক্রিয়া ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি ভিন্ন হতে পারে। একেকজনের উদ্বেগ একেক রকম। তাই অন্যের উদ্বিগ্নতায় নিজেকে অস্থির করে তুলবেন না। আমরা সবাই নিজের জন্য বাঁচি নিজেদের মানসিক মনোবলের জায়গাটা নিয়ে নিজেকেই ভাবতে হবে। নিজে ভালো থাকলে প্রিয়জনকেও ভালো রাখা যাবে। তাই উদ্বিগ্নতা কাটিয়ে নিজেকে সময় দিন।

বাংলানিউজসিএ/ঢাকা/ ১৮ এপ্রিল ২০২০/এমএম


Array