Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক ::‌ পরিবারসহ রাতের খাবার খেতে ডাইনিং টেবিলে বসেছেন। হঠাৎ একজনের চোখ পড়লো উপরে থাকা সিলিং ফ্যানটির ওপর। গোড়ার নাটটি আলগা হয়ে ফ্যানটি বিপজ্জনকভাবে ঝুলে আছে। যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে মারাত্মক দুর্ঘটনা।

দৈনন্দিন জীবনে আমাদের নানা রকম দ্রব্যাদী ব্যবহার করতে হয়। এগুলো যেমন আমাদের জীবনযাপনকে সহজ করে তোলে,তেমনি এদের অযত্নও ডেকে আনতে পারে বড় রকমের বিপদ। আসুন জানা যাক গৃহস্থালী সরঞ্জাম এর যত্ন নেবেন কিভাবে।

ফ্রিজ

প্রাত্যাহিক জীবনে ফ্রিজের ব্যবহার বহুমুখী।দিনের বেশিরভাগ সময়েই ফ্রিজ চলে বিধায় বিদ্যুৎ প্রবাহ সঠিক রাখার জন্য ভালো মানের ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া ৬ মাস বা এক বছর অন্তর অন্তর ফ্রিজের কমপ্রেসার চেক করতে হবে।কমপ্রেসারে যেন পানি না জমে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

এসি

গরমে এসি ছাড়া তো টেকাই মুশকিল।এসি ব্যবহার করার পাশাপশি কিছু জিনিসের প্রতিও ল্ক্ষ রাখতে হবে।প্রতি ১-২ মাসে এয়ার ফিল্টার পরিবর্তন করতে হবে।এভাপোরেটর আর কনডেনসর কয়েল পরিষ্কার রাখতে হবে।এসির ইলেকট্রিক্যাল লাইন সঠিকভাবে আছে কিনা তা খেয়াল রাখতে হবে। নাহলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে অনাকাঙ্খিত দূ্র্ঘটনা।

ওয়াশিং মেশিন

জামাকাপড় ধোয়ার জন্য ওয়াশিং মেশিনের বিকল্প নেই। ওয়াশিং মেশিন যেমন আমাদের জামাকাপড় পরিষ্কার করে,তেমনি আামাদেরও উচিৎ মেশিনটির যত্ন নেয়া। তিন বা পাঁচ বছর অন্তর ওয়াটার হোস পরিবর্তন করতে হবে। ওয়াশিং মেশিনকে দেয়াল থেকে অন্তত তিন চার ইঞ্চি দূরত্বে রাখতে হবে ।সপ্তাহে একবার পুরো মেশিনটি পরিষ্কার করতে হবে।

ফ্যান

ফ্যান আমাদের দৈনন্দিন জীবনেরই অংশ।তাই ফ্যানের যত্ন নেয়া জরুরী।ফ্যানের কয়েল সবসময় চেকআপ করতে হবে।রেগুলেটর ঠিক আছে কিনা খেয়াল রাখতে হবে।এছাড়া নির্দিষ্ট সময় পর ফ্যান পরিষ্কার করা উচিৎ।

আয়রন

অতি উচ্চ তাপমাত্রায় আয়রন ব্যবহার করা ঠিক না। এতে আয়রনের কয়েল পুড়ে যাওয়ার পাশাপাশি পৃষ্ঠদেশ রুক্ষ হয়ে যেতে পারে।যা কাপড়ের জন্য ক্ষতিকর।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ২৭ মার্চ ২০২২ /এমএম

 


Array