Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক ::‌ শাড়ির সঙ্গে কনট্রাস্ট ব্লাউজ পরাটা এখনকার ট্রেন্ড। ব্লাউজের হাতার নকশায় বৈচিত্র্য আগে থেকেই ছিল। এখন ঐতিহ্যের পাশাপাশি কাটছাঁটে পাশ্চাত্য ঢং এসছে। পেছনটা জুড়ে জরি সুতার ভরাট এমব্রয়ডারির কাজের পাশাপাশি নেকলাইনে জমকালো নকশা তো থাকেই।

সাজে যারা ট্র্যাডিশনাল পছন্দ করেন, তাদের কাছে কনট্রাস্ট করে পোশাক পরা ছাড়া খুব একটা বিকল্প নেই। কনট্রাস্ট করারও কিন্তু একটা ব্যাকরণ আছে, সেটা না মেনে চললে দেখতে মোটেও ভালো লাগবে না।

প্রথমত, মনে রাখতে হবে হালকা এবং গাঢ় রঙে ভালো কনট্রাস্ট হয়। যেমন ধরুন সাদা আর কালো হচ্ছে খুব ভালো কনট্রাস্ট। সেই নিয়ম মেনেই সাদা এবং লালও দারুণ। তবে একটি শেডের লাইট আর ডার্ক টোন দিয়েও খুব ভালো বৈপরীত্য তৈরি করা সম্ভব। গাঢ় নীল এবং হালকা নীল পাশাপাশি রেখে দেখতেই বুঝতে পারবেন।
মেয়েরা শাড়ির রঙ-নকশা নিয়ে যেমন ভাবেন তেমনই ব্লাউজ নিয়ে তাদের ভাবনাটাও কম নয়

দ্বিতীয়ত, একটি ‘কালার ফ্যামিলি’র একাধিক শেডের মধ্যেও কনট্রাস্ট করানো সম্ভব। যেমন ধরুন, হলুদ এবং কমলার বৈপরীত্য সুন্দর। আবার কালার হুইলের একেবারে বিপরীত দিকে থাকা রং, যেমন সবুজ আর বেগুনি বা নীল এবং গোলাপির কনট্রাস্টও ভালো।তৃতীয়ত, কিছু শেড আছে, যেগুলো ‘শীতল’ হিসেবে পরিচিত। এর মধ্যে আছে নীল, সবুজ। ওয়ার্ম বা উষ্ণ হচ্ছে লাল-হলুদ-কমলা। নিউট্রাল হচ্ছে কালো, সাদা, গ্রে।

চতুর্থত, বিভিন্ন ধরনের জ্যামিতিক নকশা দিয়েও কনট্রাস্ট করা যায়, আবার ছোট এবং বড় আকারের প্রিন্ট দিয়েও কিন্তু করা সম্ভব। যারা প্রথমবার কনট্রাস্ট করে পোশাক পরছেন, তাদের একরঙা কাপড় দিয়েই এক্সপেরিমেন্ট শুরু করা উচিত। পরে না হয় অন্যগুলোতে নিজেকে মানিয়ে দেখতে পারেন।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ১৯ মার্চ ২০২২ /এমএম


Array