Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক ::‌ টিভি কিংবা অনলাইন; সব জায়গায়ই যুদ্ধের খবর। আর সবখানেই বীভৎস ভয়াবহতার ছবি কিংবা ভিডিও আমাদের মানসিকভাবে কিছুটা হলেও হতোদ্যম করে রাখে। তাহলে একবার শিশুদের কথাই ভেবে দেখুন। ভবিষ্যতের সম্ভাবনা নিয়ে প্রাপ্তবয়স্করা হয়তো সহজেই মানিয়ে নিতে পারেন। কিন্তু ৫ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের মানসিক অবস্থা একবার ভেবে দেখুন।কিন্তু প্রশ্ন হলো এই সময়ে শিশুদের সাথে এই বিষয়ে কিভাবে কথা বলা উচিৎ? আপনি কি এড়িয়ে যাবেন? নাকি শিশুদের একেবারেই আড়াল করে রাখবেন অনলাইন কিংবা টিভি থেকে? সেটা মোটেও ভালো কিছু হতে পারেন।

বিশেষজ্ঞরা জানান, যখন শিশুরা মিডিয়ায় কোনোকিছু দেখে তখন বড়দের কাছে তারা ব্যাখ্যা আশা করে। তা না হলে শিশুরা নিজেরাই নিজেদের মতো ব্যাখ্যা দাড় করায় যা সচরাচর ভুল হতে পারে। যদি এই ব্যাখ্যা মানসিক ও আচরণগত পরিবর্তন আনে তাহলে তা ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষত বর্তমান বিশ্বের যুদ্ধ সংকটের কথা বিবেচনা করলে বিশেষজ্ঞরা তাই দেখতে পান।ফিলিস্তিন ও ইউক্রেন সংকট এখন বেশ গুরুত্বের সাথেই মিডিয়াতে ফলাও করা হয়। বিশ্বায়নের যুগে অনেক দূরে থেকেও যুদ্ধের ভয়ে ভীত ও আতঙ্কিত হওয়া স্বাভাবিক। কারণ শিশুদের জগত অত বড় না। সেক্ষেত্রে আপনি কি করতে পারেন?

শিশুদের বুঝিয়ে বলুন

কথা বলার সময় লক্ষ্য রাখবেন সেটি যেন শিক্ষণীয় হয়ে ওঠে

রূপকথার বুলি দিয়ে ওদের ভুলিয়ে রাখার প্রয়োজন নেই। আপনি বরং বর্তমান সংকট নিয়ে কথা বলুন। কিন্তু কথা বলার সময় লক্ষ্য রাখবেন সেটি যেন শিক্ষণীয় হয়ে ওঠে। যুদ্ধ কেন খারাপ, কিভাবে ক্ষতি করে, কিভাবে আসলে যুদ্ধ এড়ানো যায় বা উচিৎ এসব বিষয়ে কথা বলুন।

শিশুর মনোভাব বোঝার চেষ্টা করুন

ওরা কোথা থেকে এই আতঙ্কের খবর পেয়েছে জেনে নিন

হয়তো কথা বলার সময়েই লক্ষ্য করবেন আপনার শিশু যথেষ্ট আতঙ্কিত। সেক্ষেত্রে তাদের মানসিক অবস্থা বোঝার চেষ্টা করুন। ওরা কি মনে করে তা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। এমনকি ওরা কোথা থেকে এই আতঙ্কের খবর পেয়েছে জেনে নিন। তাহলে আপনি তাদের ভালোভাবে বুঝিয়ে বলতে পারবেন।

এক বসায় সব বুঝাবেন না

আস্তে আস্তে এই সংকটের বিষয়ে তাদের মনোভাব গড়ে তুলুন

প্রথমে আপনার শিশু কতটুকু তথ্য নিতে পারে তা বুঝুন। তারপর চেষ্টা করুন যুদ্ধ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য দেয়ার। আস্তে আস্তে এই সংকটের বিষয়ে তাদের মনোভাব গড়ে তুলুন। অবশ্যই আগ্রাসী মনোভাব না। যদি আপনার শিশু সকল তথ্য একেবারে নিতে না পারে – তাহলে বেশ কয়েকবারে বোঝান। এতে তাকে সময় দেয়া হবে এবং আপনার শিশুও মানসিক দৃঢ়তা খুঁজে পাবে।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ১২ মার্চ ২০২২ /এমএম


Array