Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক ::‌ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তিতে বিভিন্ন ধরনের বৈষম্যের অভিযোগে একজন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে।মঙ্গলবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা), রেজিস্ট্রার ও কলা অনুষদের ডিন বরাবর এই নোটিশ পাঠানো হয়।

ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে চলতি সেশনে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থী মোহাইমিনুলের পক্ষে এই নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম নোমান হোসাইন তালুকদার। তিন দিনের মধ্যে সমাধান না হলে উচ্চ আদালতে রিট করার ঘোষণা করা হয়।

এতে বলা হয়, কোটা ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর বিষয় পর্যায়ক্রমের ফরমে পছন্দের বিষয়টি সর্বনিম্নটি হলেও মুক্তিযোদ্ধা কোটায় মনোনীতদের দেওয়া হবে। কিন্তু, পরবর্তী সময়ে সাক্ষাৎকারের দিন ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের জন্য এই শিক্ষার্থীকে মনোনীত করা হয়। যদিও তার বিষয় পছন্দক্রম ফরমে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিষয়টিই ছিল না। অন্য বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটার আসন খালি থাকার পরেও তাকে এই বিষয়ে ভর্তি হতে বলা হয়।

এতে আরও বলা হয়, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ সম্মান শ্রেণির খ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় ১১৯টি আসন মুক্তিযোদ্ধা কোটার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়। কিন্তু বিভিন্ন কারণবশত উপরের মেধাক্রমের কয়েকজন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি। যার পরিপ্রেক্ষিতে ফাঁকা আসনে পছন্দক্রমের বিষয় অনুযায়ী ভর্তি অথবা মুক্তিযোদ্ধা কোটায় মনোনীতদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ মাইগ্রেশনের সুযোগদানের জন্য মৌখিক ও লিখিত আবেদন করা হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তা অগ্রাহ্য করেন। যদিও সাধারণ কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা এই সুবিধা পেয়ে থাকেন।

নোটিশে পছন্দক্রমের সর্বনিম্ন বিষয়ে ভর্তির সুযোগ প্রদান, মুক্তিযোদ্ধা কোটার জন্য বরাদ্দকৃত ১১৯টি আসন পূর্ণ ও অভ্যন্তরীণ মাইগ্রেশনের সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করা হয়। অন্যথায় উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার কথা বলা হয়।

এ বিষয়ে আইনজীবী এম নোমান হোসাইন তালুকদারের সঙ্গে ঢাকা টাইমসের কথা হয়। এসময় তিনি বলেন, আমরা মূলত তিনটি বিষয় মাথায় রেখে লিগ্যাল নোটিশটি দিয়েছি। প্রথমত, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় পাঁচ শতাংশে ১১৯টি আসন বরাদ্দ হয়। কিন্তু সবাই ভর্তি হয়নি। পরবর্তী সময়ে খালি আসনগুলো পূরণ করা হয়নি।

দ্বিতীয়ত, পছন্দক্রমের সর্বনিম্ন বিষয়টি তাকে দেওয়া হবে। আমার ক্লাইন্টের সর্বনিম্ন বিষয়ক্রমে ছিল ইতিহাস। ফারসি ভাষা ও সাহিত্য তার পছন্দক্রমেই ছিল না। তবুও তাকে এটা নিতে বাধ্য করা হয়।তৃতীয়ত, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় অভ্যন্তরীণ মাইগ্রেশন করার সুযোগ দিচ্ছে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। যদিও বাকি শিক্ষার্থীরা এই সুযোগটা পাচ্ছে।আইনজীবী বলেন, আমরা তিন দিনের জন্য প্রশাসনকে সময় দিয়েছি। সমস্যার সমাধান না হলে উচ্চ আদালতে রিট করবো।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ০৯ ফেব্রুয়ারি  ২০২২ /এমএম


Array