প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: উত্তরের শীতল হাওয়া বলে দিচ্ছে দরজায় কড়া নাড়ছে শীত। এ সময়টাতে আবহাওয়া বদলে যায়, শিশুরা সর্দি-কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়। এ ধরনের অসুস্থতা থেকে সেরে ওঠার পর শিশুর শারীরিক দুর্বলতা না যাওয়া পর্যন্ত একই খাবার বেশ কিছুদিন মেন্যুতে রাখতে হবে। শীতে সন্তানকে প্রাণবন্ত রাখতে কী খাওয়াবেন চলুন জেনে নেওয়া যাক।শীতে আবহাওয়া বদলে যায়, তখন শিশুরা সর্দি-কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়
শীতে সুরক্ষার জন্য খাদ্য তালিকায় প্রোটিন রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। এই সময়টাতে শিশুদের বেশি পারিমানে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে হবে। বিভিন্ন রকমের ডাল, পরোটা, চিকেন কাটলেট এবং বিশেষ করে স্প্রাউট সালাদ।শিশুরা অসুস্থ হলে তাদের মুখের রুচি বদলাতে অনেকেই ভুল করে তেল-মসলা যুক্ত অস্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস দিয়ে থাকেন, যা তাদের উপকার তো করেই না উল্টো ক্ষতি করে।
শীতকালীন অসুস্থতা সেরে উঠার পর মৌসুমী ফল ছাড়াও বিভিন্ন রকমের সবজি রাখতে পারেন মেন্যুতে
স্প্রাউট সালাদ খুব হেলদি, টেস্টি এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ একটি খাবার। অল্প সময়ের মধ্যে এটি তৈরি করা যায়। স্প্রাউট সালাদ খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে। সেই সঙ্গে প্রোটিন সহ নানা রকম ভিটামিনের যোগান দেয় এই স্প্রাউট সালাদ।
শুধু বাচ্চাদের জন্যই নয়, প্রাপ্ত বয়স্করাও বিকালের স্ন্যাকসে বা সকালে ওয়ার্ক আউটের পরে অবশ্যই খেতে পারেন এই সালাদ।শীতকালীন অসুস্থতা সেরে উঠার পর পর বাচ্চাদের দিনে অন্তত ৫ থেকে ৬ বার ফল ও সবজি খাওয়াতে পারেন। এতে তাদের খাওয়ার ইচ্ছাটা ফিরে আসবে, শরীরেও বল পাবে। মৌসুমী ফল ছাড়াও বিভিন্ন রকমের সবজি রাখতে পারেন মেন্যুতে।সন্তানকে নিয়মিত হালকা ব্যায়ামে অভ্যস্ত করুন। জাংক ফুড চাইলেও খেতে দেবেন না
শিশু যদি ক্লান্তি বোধ করে তাহলে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ান। ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায় এমন খাবারের মধ্যে আছে বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ (স্যামন, হ্যালিবাট, টুনা, সারডিন্যাস, ম্যাকেরেল, হেরিং), ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ ডিম ও বিভিন্ন রকমের শাক সবজি। যেমন পালং শাক, ব্রকোলি। ইলিশ, রূপচাঁদা ও পাঙ্গাশ মাছে খুব অল্প পরিমাণ ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায়।সন্তানকে নিয়মিত হালকা ব্যায়ামে অভ্যস্ত করুন। জাংক ফুড চাইলেও খেতে দেবেন না। প্রয়োজনে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর বিভিন্ন খাবার বাড়িতেই তৈরি করুন।
প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ১৬ নভেম্বর ২০২১ /এমএম





