Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক ::‌ দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিক বাড়তে থাকায় এ পণ্য আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার করেছে সরকার। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানিতে কোনো শুল্ক দিতে হবে না। এছাড়া ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে চিনির আমদানি শুল্ক। আজ থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চিনির শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম   বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন।

বর্তমানে পেঁয়াজ আমদানিতে ১০ শতাংশ শুল্ক প্রযোজ্য রয়েছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক আর ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক। প্রজ্ঞাপনে পেঁয়াজ আমদানিতে প্রযোজ্য শুল্ক থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কথাটি উল্লেখ করা হয়েছে। চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি দেশের কৃষকদের স্বার্থে পেঁয়াজ আমদানিতে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল এনবিআর। ওই আদেশে আগের প্রত্যাহার করা ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক পুনর্বহালের পাশাপাশি নতুন করে আরও ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক আরোপ করা হয়। আজ এক প্রজ্ঞাপনে আমদানির পাঁচ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়।

এছাড়া অপর এক প্রজ্ঞাপনে অপরিশোধিত চিনি আমদানিতে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক (আরডি) ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ২০২২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমদানি পর্যায়ে কম হারে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক দিতে হবে।বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত ১১ অক্টোবর পেঁয়াজের শুল্ক প্রত্যাহার এবং অপরিশোধিত সয়াবিন তেল, পাম তেল ও চিনির শুল্ক কমাতে এনবিআর’কে অনুরোধ জানানোর পর এ সিদ্ধান্ত এলো।

চলমান দূর্গাপূজার কারণে ভারত থেকে পেঁয়াজ কম আসা এবং ভারতের বাজারে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধির অজুহাতে সম্প্রতি দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে চলেছে। ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া পেঁয়াজ এক মাসের ব্যবধানে ৮০ টাকায় পৌঁছেছে।বিষয়টি নিয়ে গত ১১ অক্টোবর বৈঠকে বসে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এরপর পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমে আসে। এখন প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়।এছাড়া দেশের বাজারে এখন প্রতি কেজি খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮২ টাকা দরে। প্যাকেটজাত চিনি চিক্রি হচ্ছে ৮৬ টাকা কেজি দরে।

বাজার ব্যবস্থাপনায় লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে প্রতিদিন দুটি টিম ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার বাজার মনিটরিং করছে। এছাড়া সারাদেশে জেলা-উপজেলায় জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে ও ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় বাজার মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে।দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইতোমধ্যে টিসিবির মাধ্যমে খোলা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু হয়েছে।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ১৫ অক্টোবর  ২০২১ /এমএম


Array