Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: করোনার কালবেলায় বাড়ি বসেই প্রায় এক বছরের মতো সময় কাজ করছেন বেশিরভাগ মানুষ। ঘরের কোণ হয়ে উঠছে অফিসের ব্যস্ততম কর্নার। আপনি কি মনে করেন যে, ওয়ার্ক ফ্রম হোমে আপনি বাড়িতে সময় দিতে পারছেন? নাকি মনে হচ্ছে অফিসকেই অনেক বেশি সময় দিতে হচ্ছে আপনার? সম্প্রতি নিউ ইয়র্কের ইন্টারনেটের ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক প্রদানকারী সংস্থার সমীক্ষায় উঠে এসেছে এ তথ্য।

সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ওয়ার্কিং ফ্রম হোমের ক্ষেত্রে কম-বেশি প্রত্যেকেই প্রায় আড়াই ঘণ্টা বেশি সময় দিচ্ছেন অফিসকে। নর্ড ভিপিএন টিমস নামে ওই সংস্থার সমীক্ষায় অন্তত এমনটাই দাবি করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যে, অস্ট্রিয়া, কানাডা ও আমেরিকায় সমীক্ষা চালিয়েছেন তারা। তাতেই এই রিপোর্ট উঠে এসেছে। অনেক বেশি সময় ধরে কাজ করছেন কর্মীরা। কলিগদের সঙ্গে কথা, বন্ধুতা, আড্ডা কমে যাওয়ায় বাড়ছে মানসিক রোগের সমস্যাও। কর্মব্যস্ত মানুষ অনেক বেশি অবসাদেও ভুগছেন।

লকডাউন শুরু হওয়ার পর প্রথম এই ওয়ার্ক ফ্রম হোম নিয়ে একটা ‘থ্রিল’ ছিল। বাইরে যাওয়া নেই, বাসে রিক্সায় ওঠা নেই। প্রয়োজন মতো ঘড়ি ধরে অনলাইন মিটিং হচ্ছে। ভালোই কাটছে দিনগুলো। ইচ্ছা করে বেরিয়ে দোকানটা-বাজারটাও হয়ে যাচ্ছে। গৃহস্থালির কাজে আরও অ্যাক্টিভ পার্টিসিপেশন দিতে পারায় সবাই খুশি।

অনলাইনে কাজ করতে হওয়ায় দৈনিক ‘অফিসটাইম’ একটু-একটু করে বেড়েই চলেছে বিশ্ববাসীর। কিন্তু বেতনটা আগের জায়গায় আছে। অনেকের ক্ষেত্রে কিছুটা কমেছে।পরবর্তী সময়ে কাজ এবং কর্মী দুয়েরই ধরন বদলাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বাড়িতে বসে একই সঙ্গে একাধিক সংস্থার জন্য ‘ফ্রিলান্সার’-এর মতো কাজ করবেন।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এমএম

 

 


Array