Menu

বাংলানিউজসিএ ডেস্ক :: আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পুনর্মিলনী-২০২০।শুক্রবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে দিনব্যাপী আয়োজনের উদ্বোধন করেন জাতীয় অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল সরকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে আজাদ, জগন্নাথ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পুনর্মিলনী ২০২০ এর আহ্বায়ক জে এল ভৌমিক।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব রঞ্জন কর্মকার, ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওছার।আর অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন জগন্নাথ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মলয় সাহা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে আমন্ত্রিত অতিথিরা মঙ্গল প্রদ্বীপ জ্বালিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন।রঞ্জন কর্মকার বলেন, জগন্নাথ হল বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালন করবে তার আদর্শকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেবে বলে আমি আশা করি।এছাড়াও স্বাধীনতার স্বপ্ন সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে জগন্নাথ হল স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী পালন করবে। এই হলের শিক্ষার্থীরা দেশের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে তাই এই হলের শিক্ষার্থী হিসেবে আমি গর্ববোধ করি।

বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন জাতীয় কমিটির সভাপতি ও জাতীয় অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, এক সময় জগন্নাথ হলের নাটক এবং বার্ষিক যে সাহিত্য বা সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা হতো সেটা ঢাকা শহরে অত্যন্ত আকর্ষণীয় বিষয় ছিল।তিনি বলেন, একাত্তর সালের ২৫ মার্চ এই হলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর যে বর্বর নির্যাতন চালানো হয়েছে তার একটি ডকুমেন্টারি চিত্র রয়েছে যেটি এক সময় আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।

আমার মনে হয় এই ঐতিহাসিক চিত্রটি জগন্নাথ হলের আরকাইভে সংরক্ষণ করা উচিত। তাছাড়াও মুক্তিযুদ্ধে জগন্নাথ হলের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।এছাড়াও দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে ছিল উন্মুক্ত আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠান এবং সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া।

বাংলানিউজসিএ/ঢাকা/ ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ /এমএম


Array