প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআরসি) সেনাবাহিনীর একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দেশটির জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারাও রয়েছেন।
শুক্রবার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কিকুইট থেকে রাজধানী কিনশাসার উদ্দেশে উড্ডয়ন করেছিল বিমানটি। পথে এতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে কোয়াঙ্গো প্রদেশের কেনজে শহরে অবতরণের চেষ্টা করে। তবে সেখানে কোনো অবতরণপথ না থাকায় বিমানটি একটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।
কোয়াঙ্গো প্রদেশের উপগভর্নর রেমি সাকি বোকিন্ডা বলেন, কেনজেতে কোনো অবতরণপথ না থাকায় বিমানটি একটি আবাসিক প্লটে বিধ্বস্ত হয়।
কঙ্গোর সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল এফোমি একেঞ্জে জানান, দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন।
তিনি বলেন, বিমানে থাকা সবাই নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১২ জনের মরদেহ এতটাই পুড়ে গেছে যে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পাইলটের নিথর দেহ বিমানটির বাইরে পাওয়া যায়।
সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক এবং দুই জেনারেলের সঙ্গে সফররত সরকারি প্রতিনিধিদলের সদস্যদের পাশাপাশি অন্যান্য সামরিক সদস্যও ছিলেন।
উপগভর্নর বোকিন্ডাও জানান, নিহতদের বেশির ভাগের মরদেহ পুড়ে শনাক্তের অযোগ্য হয়ে গেছে। পাইলটের মরদেহ বিমানটির ধ্বংসাবশেষের বাইরে পাওয়া যায়।
দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সামরিক মুখপাত্র একেঞ্জে।
মধ্য আফ্রিকার বিশাল ও খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ দেশ ডিআরসি কয়েক দশক ধরে সংঘাতে জর্জরিত। বিশেষ করে রুয়ান্ডার সীমান্তবর্তী দেশটির পূর্বাঞ্চলে মূল্যবান খনির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বেশ কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত চলছে।
গত বছর থেকে দেশটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহর দখলে নেওয়া বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কঙ্গোর সেনাবাহিনী একাধিক ফ্রন্টে লড়াই করে আসছে।
প্রবাস বাংলা ভয়েস/কানাডা/২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬/এএ





