Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি মিত্র দেশগুলোকে পুনরায় অস্ত্রসজ্জিত করার উদ্দেশ্যে একটি নতুন বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা ব্যাংকের প্রতি তার সমর্থন জানিয়েছেন। প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা ও স্থিতিস্থাপকতা ব্যাংক (ডিএসআরবি) প্রায় ১০০ বিলিয়ন ইউরো (১১৬ বিলিয়ন ডলার) সংগ্রহের চেষ্টা করছে। এই অর্থ প্রতিরক্ষা প্রকল্পের জন্য সরকার ও ঠিকাদারদের স্বল্প সুদে ঋণ দিতে ব্যবহার করা হবে। এটি ঝুঁকিপূর্ণ ঋণগ্রহীতা হিসেবে বিবেচিত ছোট সংস্থাগুলোকে অর্থায়নকারী ঋণদাতাদের জন্য গ্যারান্টিও প্রদান করবে। ডিএসআরবি-র সদর দপ্তর থাকবে কানাডায়। এই প্রকল্পে আলবেনিয়া, বেলজিয়াম, গ্রিস, লাটভিয়া, লুক্সেমবার্গ, রোমানিয়া, তুরস্ক এবং ইউক্রেন তাদের সমর্থন ব্যক্ত করেছে।

এই প্রকল্পে জড়িত দেশগুলোর দুজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ডিএসআরবি আগস্ট মাস নাগাদ প্রায় ৫ বিলিয়ন ইউরোর প্রতিশ্রুতি আদায় করেছে। সংস্থাটির লক্ষ্য প্রায় ২০ বিলিয়ন ইউরো পরিশোধিত মূলধন সংগ্রহ করা এবং প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য আরো ৮০ বিলিয়ন ইউরো হাতে রাখা। কিন্তু জার্মানি, ব্রিটেন এবং অন্যান্য জি৭ দেশগুলো এখন পর্যন্ত এতে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এই দেশগুলোর অস্বীকৃতি প্রশ্ন তুলেছে যে, ডিএসআরবি সর্বনিম্ন অর্থায়ন নিশ্চিত করতে সাহায্যকারী ট্রিপল-এ ক্রেডিট রেটিং অর্জন করতে পারবে কি না। বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশেষজ্ঞ একটি বিশ্লেষণকারী সংস্থা ‘রিস্ক কন্ট্রোল’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক উইলিয়াম পেরোডিন বলেন, “রেটিং এজেন্সিগুলোর কাছে ভালো ধারণা তৈরি করতে হলে, তাদের আরো কয়েকটি প্রভাবশালী সরকারের অংশগ্রহণ প্রয়োজন হবে।”

ব্যাংকে যোগদানের আলোচনা সম্পর্কে অবগত আটজনের সাথে রয়টার্স কথা বলেছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ জানিয়েছেন, উচ্চ রেটিংপ্রাপ্ত জাতীয় সরকারগুলোর চেয়ে ডিএসআরবি সস্তায় অর্থায়ন করতে পারবে কি না, তা কিছু সম্ভাব্য সদস্যের জন্য একটি বড় বাধা ছিল। সরকারি অর্থব্যবস্থা যখন চাপের মধ্যে রয়েছে, তখন দেশগুলোকে যে পরিমাণ মূলধন বিনিয়োগ করতে হবে, ব্যাংকটির পরিচালনা ব্যবস্থা এবং বিদ্যমান উদ্যোগগুলোর সাথে এর সংঘাতকেও কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কানাডা জানিয়েছে, একটি সনদ স্বাক্ষরের আগে তারা অনেক দেশের সাথে আলোচনা করছে। সূত্র : রয়টার্স

প্রবাস বাংলা ভয়েস/কানাডা/০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬/এএ


Array