Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক ::‌  রাজধানীর বাজারে নতুন বছরের শুরু থেকেই বেড়েছে আদা-রসুন-আলুর দাম। সেই সঙ্গে আমদানি করা পেঁয়াজ, ডিম ও ব্রয়লার মুরগির দামও বেড়েছে। তবে কমেছে খোলা সয়াবিন, আটা, ময়দা, লবঙ্গ, এলাচসহ হলুদের দাম।সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বংলাদেশ (টিসিবি) থেকে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।রাজধানীর কারওয়ান বাজার, শাহজাহানপুর, কচুক্ষেত বাজার, মহাখালী বাজার, শ্যামবাজার, রামপুরা, মালিবাগ বাজার, মিরপুর-১ নম্বর বাজার, সূত্রাপুর বাজার, বাদামতলী বাজার, রহমতগঞ্জ বাজার, উত্তরা আজমপুর বাজার, মৌলভীবাজারের পণ্যের দাম সংগ্রহ করে এ তথ্য দিয়েছে টিসিবি।

৬ জানুয়ারি পর্যন্ত পণ্যমূল্য দিয়ে টিসিবির তৈরি করা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, লেয়ার মুরগির ডিমের দাম বেড়েছে ২ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এতে এক হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৫০ টাকা, যা আগে ছিল ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা।ডিমের দাম বাড়ার আগে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়ে যায়। মুরগির দাম ১ দশমিক ৬৯ শতাংশ বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫৫ টাকা, যা আগে ছিল ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা।

একইদিন আদার দাম ৪ দশমিক ১৭ শতাংশ বেড়ে কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, যা আগে ছিল ৯০ থেকে ১৫০ টাকা। আর দেশি রসুনের দাম বেড়েছে ২২ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এতে এক কেজি দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১১০ টাকা, যা আগে ছিল ৭৫ থেকে ৮০ টাকা।

এছাড়া আমদানি করা রসুনের দাম বাড়ে ২ জানুয়ারি। ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ বেড়ে আমদানি করা রসুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১৩০ টাকা, যা আগে ছিল ১১০ থেকে ১২০ টাকা। আমদানি করা পেঁয়াজের দাম বাড়ে ৬ জানুয়ারি। ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ দাম বেড়ে আমদানি করা পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, যা আগে ছিল ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা।

অন্যদিকে আলুর দাম বাড়ে ৪ জানুয়ারি। ২৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেড়ে আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২২ থেকে ২৫ টাকা, যা আগে ছিল ১৬ থেকে ২২ টাকা। নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহে সব থেকে বেশি বেড়েছে আলুর দাম।৫ জানুয়ারি খোলা আটার দাম কমেছে। বছরের প্রথম সপ্তাহে খোলা আটার দাম কমেছে ১ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এতে এক কেজি খোলা আটা বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬০ টাকা, যা আগে ছিল ৫৮ থেকে ৬২ টাকা।

এর দুদিন পরে কমে খোলা ময়দার দাম। ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ কমে খোলা ময়দার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, যা আগে ছিল ৬৮ থেকে ৭২ টাকা।প্যাকেট ময়দার দাম কমেছে ১ জানুয়ারি। বছরের প্রথম সপ্তাহে প্যাকেট ময়দার দাম ১ দশমিক ২১ শতাংশ কমে বিক্রি হচ্ছে ৭৮ থেকে ৮৫ টাকা, যা আগে ছিল ৮০ থেকে ৮৫ টাকা।

বছরের প্রথম সপ্তাহে খোলা সয়াবিন তেলের দাম কমেছে দশমিক ৮৬ শতাংশ। এক লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৬৭ থেকে ১৮০ টাকা, যা আগে ছিল ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা।২ দশমিক ৮৬ শতাংশ দাম কমেছে ছোলার। এক কেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা, যা আগে ছিল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা।

দেশি পেঁয়াজের দাম কমেছে ৩ দশমিক ৬১ শতাংশ, বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা। যা আগে ছিল ৩৫ থেকে ৪৮ টাকা।দেশি হলুদের দাম কমেছে ২ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ। দেশি হলুদ বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি, যা আগে ছিল ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা।

আমদানি করা হলুদের দাম কমেছে ২ দশমিক ৪৪ শতাংশ। এক কেজি আমদানি করা হলুদ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, যা আগে ছিল ১৯০ থেকে ২২০ টাকা।লবঙ্গের দাম কমেছে ১ দশমিক ৪৬ শতাংশ। এখন এক কেজি লবঙ্গ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা কেজি, যা আগে ছিল ১ হাজার ৩২০ থেকে ১ হাজার ৪২০ টাকা।এলাচের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা, যা আগে ছিল ১ হাজার ৮৫০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা। বছরের প্রথম সপ্তাহে এলাচের দাম কমেছে ১ দশমিক ১২ শতাংশ।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ০৯ জানুয়ারি ২০২৩ /এমএম