প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: সচরাচর মিষ্টিজাতীয় খাবার কিংবা নোনতা ও চর্বিযুক্ত খাবারে ফুড ক্রেভিং কাজ করে ফুড ক্রেভিং বলতে কী বোঝায়? মূলত নির্দিষ্ট কোনো খাবারের প্রতি অস্বাভাবিক আকর্ষণই ফুড ক্রেভিং। অস্বাভাবিক ক্ষুধা কিংবা রুচি থেকে এই বিষয়টি একদমই আলাদা। সচরাচর মিষ্টিজাতীয় খাবার কিংবা নোনতা ও চর্বিযুক্ত খাবারে ফুড ক্রেভিং কাজ করে।
কিন্তু কেন হয় ফুড ক্রেভিং?
এর জন্যে দায়ী লেপটিন ও সেরোটোনিন নামক দুটি হরমোন। অনেক সময় মানসিক চাপ থেকেও ফুড ক্রেভিং হতে পারে। কারণ মানসিক চাপে প্রচুর কর্টিসল হরমোন নিঃসৃত হয়। এই হরমোন চর্বিযুক্ত খাবারের পাশাপাশি মিষ্টিজাতীয় খাবারের প্রতি আকর্ষণ বাড়িয়ে দেয়। তখন এই খাবার খেলে অনেকে আরাম পান বিধায় বারবার খেতে থাকেন।আবার পর্যাপ্ত ও সুষম খাদ্য না খেলে রক্তে শর্করার মাত্রায় অস্বাভাবিকতা দেখা যায়। তাতে চিনির ক্রেভিং হতে পারে। এমনকি গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনের কারণে নির্দিষ্ট খাবারের প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা কাজ করে।
এক্ষেত্রে করণীয় কি?
আপনার ওজন ও উচ্চতা বুঝে সঠিক ক্যালরি শরীরে নিতে হবে। সুষম খাবারের ক্ষেত্রে বাছবিচার করবেন না।
একটানা পেট খালি রাখবেন না। অতিরিক্ত খিদের অপেক্ষা করলে ফুড ক্রেভিং হয়।
ক্ষুধার সঙ্গে তৃষ্ণার সম্পর্ক আছে। এক গ্লাস পানি পান করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলে তৃষ্ণা দূর হয়।
কোমল পানীয় পরিহার করুন। এগুলোর বদলে উচ্চ ফাইবারযুক্ত কার্বোহাইড্রেট খান।
ফুড ক্রেভিং হলে তা ২০ মিনিট পর দূর হয়। এ সময় ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হবে।
প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ১৮ অক্টোবর ২০২২ /এমএম





