Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক ::‌ গলার ভেতর খাদ্যনালী ও শ্বাসনালী পাশাপাশি থাকে। তাই খাওয়ার সময় শ্বাসনালীর ওপরের অংশটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঢাকা পড়ে। অনেক সময় গলায় খাবার আটকে যায়। শুকনো খাবার খাওয়ার সময়, কথাবার্তা অথবা অন্য শারীরিক কাজ করলে সেই খাবার খাদ্যনালীতে প্রবেশ না করে শ্বাসনালীতেই ঢুকে যায়। এতে তাৎক্ষণিকভাবে কারও মৃত্যুও হতে পারে। এ সময় কি করা যায়? তাই জেনে নেওয়া যাক:

হেইমলিচ ম্যানইউভার

শ্বাসনালীতে খাবার আটকে গেলে মর্মন্তুদ ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এই দুর্ঘটনা থেকে রেহাই পেতে বিখ্যাত ইএনটি স্পেশালিস্ট হেনরি হেইমলিচ ১৯৭৪ সালে এই পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।

গলায় খাবার আটকে গেলে পিঠে অনেকে চাপড় দেন। এতে কাজ হয় না। আপনি যদি দেখেন কারো গলায় খাবার আটকে গেছে, তখন তার পেছনে গিয়ে পেট ও পাঁজরের সংযোগস্থলে দুহাত ধরে সজোরে ধাক্কা দিন। এরকম করলে গলায় আটকে থাকা খাবার মুখ দিয়ে বের হয়ে আসবে। এভাবে অনেকের প্রাণ বাঁচানো যায়।

শ্বাসনালী

শ্বাসনালীতে খাবার আটকে গেলে মর্মন্তুদ ঘটনা ঘটে যেতে পারে

গর্ভবতী মায়ের ক্ষেত্রে

গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রে হেইমলিচ ম্যানিউভার পদ্ধতি ব্যবহার করা যাবে না। সেক্ষেত্রে দ্রুত নিকটবর্তী চিকিৎসাকেন্দ্রে চলে যান।

সদ্যোজাত শিশুর ক্ষেত্রে

সদ্যোজাত শিশুদের প্রায়শই গলায় খাবার আটকে যায়। এক্ষেত্রে প্রথমে শিশুকে বা হাতে নিন। খেয়াল রাখবেন, আপনার শিশুর মুখ যেন নিচের দিকে থাকে। ডান হাতের তালু দিয়ে পীঠে তিন-চারবার চাপড় দিলেই গলায় আটকে থাকা খাবার বের হয়ে আসবে।

খাবার

গলায় খাবার আটকে তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুও হতে পারে

নিজে আক্রান্ত হলে

যদি আপনার গলায় খাবার আটকে যায় এবং আশপাশে কেউ না থাকে, তাহলে চেয়ারে যেদিকে হেলান দেন সেটি পেট আর বুকের মধ্যস্থলে রেখে যতটা সম্ভব পেটে চাপ সঞ্চালন করতে হবে। এতে কাশি হবে। অনেক সময় চাপের ফলে গলায় আটকে থাকা খাবার বের হয়ে আসে।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ /এমএম


Array