প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: মধুমাস জৈষ্ঠ্যে সর্বত্রই পাওয়া যাচ্ছে আম, লিচু, জামরুল, জাম, কাঁঠালসহ সুস্বাদু সব মৌসুমি ফল। এর মধ্যে আম ও লিচু সবচেয়ে জনপ্রিয়। রসাল এই ফল দুটির পুষ্টিগুণও ষোলো আনা। কিন্তু পুষ্টিগুণ বিচারে কোনটাকে এগিয়ে রাখবেন, আম নাকি লিচু, জেনে নিন।
লিচুর পুষ্টিগুণ
লিচুতে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ক্যালরি পরিমাণে খুব অল্প থাকায় এবং ফ্যাট একেবারে না থাকায় এটি সবার জন্যে উপযুক্ত ও উপকারি একটি ফল। লিচুতে আছে ক্যানসার প্রতিরোধক্ষমতা। লিচুতে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ফ্ল্যাভোনয়েড ব্রেস্ট ক্যানসারসহ বিভিন্ন ক্যানসারের কোষ বিভাজনকে বাধা দেয়।আমে ভিটামিন ই আছে, যা ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী। আম তারুণ্য ধরে রাখতে ভূমিকা রাখেলিচুতে ভিটামিন এ এবং সি ছাড়াও আছে ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাংগানিজ, কপার, ফলেট যা রক্তের উপাদান তৈরিতে সহযোগিতা করে। পাশাপাশি অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ত্বকের উজ্জল্য বৃদ্ধি করে।
তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে লিচু। ত্বকও ভালো রাখে। ব্রণ হতে শুধু বাধাই দেয় না, সেই সঙ্গে ত্বকের কালো দাগ দূর করে। এ ছাড়া লিচুতে থাকা ভিটামিন সি, নিয়াসিন, থায়ামিন চুলের সৌন্দর্য বাড়ায়, চুলকে করে দিঘল কালো।
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা স্ট্রোক এবং হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমানোসহ লিচু হজমশক্তি বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ক্ষুধাবর্ধক হিসেবেও কাজ করে।
আমের পুষ্টিগুণ
ফলের রাজা আম প্রি-বায়োটিক, ডায়েটারি ফাইবার, ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। আমে কোলন ক্যানসার, স্তন ক্যানসার, লিউকোমিয়া ও প্রোস্টেট ক্যানসার প্রতিরোধের উপাদান আছে।লিচুতে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ফ্ল্যাভোনয়েড ব্রেস্ট ক্যানসারসহ বিভিন্ন ক্যানসারের কোষ বিভাজনকে বাধা দেয় আম পটাশিয়ামের ভালো উৎস। রক্তচাপ ও হৃৎস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে আম। এ ছাড়া ফুসফুস ও মুখের ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে আম। ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও হ্রাস করে।
আম দেহের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি করে। মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ঠিক রাখা এবং জটিলতা কমায়। স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।আমে থাকা ভিটামিন সি কোলাজেনের উৎপাদন করে। এর ফলে ত্বক সতেজ ও টান টান হয়। আমে ভিটামিন ই আছে, যা ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী। সহজ করে বললে, আম তারুণ্য ধরে রাখতে বেশ বড় ভূমিকা রাখে।
প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ০৮ জুন ২০২২ /এমএম





