Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক ::‌ ফলের রাজা আম খেতে সবরাই ইচ্ছে করে। কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীরা খাবারে বিধিনিষেধ ও মিষ্টি স্বাদের আধিক্যের কারণে আম খেতে দ্বিধা করেন। কারণ আমে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ও গ্লাইসেমিক লোড অনেকটাই বেশি। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ভয়ে ডায়াবেটিস রোগীদের আম থেকে দূরে থাকতে বলা হয়। তাহলে ডায়াবেটিস রোগীরা কী আম খাবেন না বা খেলেও কীভাবে খাবেন, জেনে নিন।যদি ডায়াবেটিস রোগী সকালে একফালি আম খাবেন বলে মনস্থির করেন তাহলে তাকে অন্তত একটা রুটি কম খেতে হবে

ডায়াবেটিস রোগীর রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য সারাদিনে গৃহীত ক্যালরির ওপর সতর্ক নজর রাখতে হয়। রোগীর রক্তে সুগারের মাত্রা ও তার কাজের ধরণ দেখে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ মতো পুষ্টিবিদ রোগীর ক্যালরির চাহিদা নির্দিষ্ট করেন। সেই ক্যালরি চাহিদা অনুযায়ী তৈরি করতে হয় ডায়েট প্ল্যান।একজন ডায়াবেটিস রোগীর ডায়েট প্ল্যানে কোনো একটি সময়ে যদি আম রাখা হয়, তাহলে তখনকার খাবারের তালিকা থেকে সমপরিমাণ কার্বোহাইড্রেট বাদ দিতে হবে। এই উপায়েই ব্যালেন্স করতে হবে খাবারে। যদি ডায়াবেটিস রোগী সকালে একফালি আম খাবেন বলে মনস্থির করেন তাহলে তাকে অন্তত একটা রুটি কম খেতে হবে।

এখন আম সস্তা বলে বা আম খেতে ভালো লাগে বলে কেবল আমের দিকে মনোযোগ দিলেই চলবে না
দুুপুরে বা রাতের খাবারের সঙ্গে আম না খাওয়াই ভালো। বরং সকালের নাস্তায় এক টুকরা আম রাখা যেতে পারে। সকালে আম খেতে হলে ডায়েটের যোগ করতে হবে হাই ফাইবার ফুড। এ ক্ষেত্রে সকালের নাস্তায় সবজি রাখতে হবে, তবে তা অবশ্যই পুষ্টিবিদের পরামর্শ মতো হওয়াই ভালো।

এখন আম সস্তা বলে বা আম খেতে ভালো লাগে বলে কেবল আমের দিকে মনোযোগ দিলেই চলবে না। সঙ্গে অন্যান্য মৌসুমী ফলও খেতে হবে। তবেই পাওয়া যাবে সঠিক পুষ্টি। আর অবশ্যই আম খাওয়ার আগে একজন চিকিৎসক বা ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নিন। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো চললেই রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রেখেও আম খাওয়া সম্ভব।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ২৩ মে  ২০২২ /এমএম