Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক ::‌ ফ্যাশন ট্রেন্ডে বিভিন্ন অনুষঙ্গ এখন বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আশি-নব্বইয়ের দশকের হেয়ার অ্যাকসেসরিজের ব্যবহার নতুন করে ফিরে এসেছে। এর মধ্যে অন্যতম হেয়ারব্যান্ড।নব্বই দশকের ফ্যাশনের এই অনুষঙ্গটি ফিরিয়ে আনার পেছনে যিনি অবদান রেখেছেন তিনি হলেন ডাচেস অব কেমব্রিজ কেট মিডলটন! বিস্ময়কর হলেও সত্যি, কয়েক বছর আগে বিভিন্ন সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানগুলোতে তাঁকে দেখা গিয়েছিল আকর্ষণীয় সব হেডব্যান্ডে। এরপর জেসিকা অ্যালবা, সালমা হায়েক ও বেলা হাদিদরাও হেডব্যান্ড পরা অবস্থায় ক্যামেরায় হেসেছেন। আর নতুন করে কেশসজ্জায় হেয়ারব্যান্ডের ব্যবহার ছড়িয়ে দিয়েছেন পুরো দুনিয়াতে।

নব্বই দশকের ফ্যাশনের এই অনুষঙ্গটি ফিরিয়ে আনার পেছনে যিনি অবদান রেখেছেন তিনি হলেন ডাচেস অব কেমব্রিজ কেট মিডলটন!তবে, এদেশের নারীরা ফ্যাশনের অনুষঙ্গ হিসেবে হেয়ারব্যান্ডে এখনও খুব একটা অভ্যস্ত নন। সাজের সময়ে হাজারো দ্বিধা-দ্বন্দ্ব কাজ করে তাদের। তবে ইচ্ছে থাকলে কে কী ভাবল তা আঁকড়ে বসে থাকলে চলবে না। আজকাল বিভিন্ন ধরণের, নকশার হেডব্যান্ড পাওয়া যায়। যেকোনো পোশাকের সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যায় হেডব্যান্ড। এমনকী, ছোট চুলেও এই ধরনের ব্যান্ড পরা সম্ভব। যাদের চুল লম্বা, তারা সফট কার্ল করে নিন নিচের দিকটা। তারপর ব্যবহার করুন নানা বাহারি হেডব্যান্ড, দেখতে কিন্তু দারুণ লাগবে।

চুলের সাজে মুক্তার ব্যবহারও দারুণ লাগে। আপনার এমন কোনো পুরোনো নেকলেস যদি থাকে, যার হুকটা ভেঙে গিয়েছে বা লকেট গায়েব হয়ে গিয়েছে, সেটা হেয়ারব্যান্ড হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন, খোঁপায় জড়িয়ে নিয়ে দেখুন, দারুণ লাগবে। পরতে পারেন টায়রাও। আর চুলে ফ্রেশ ফুল বা ফুলের মালা তো সারা বছরের যেকোনো ঋতুতেই দেখতে ভালো লাগে।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ২২ মার্চ ২০২২ /এমএম


Array