প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: শীতকালীন সবজির আমদানী ভালো থাকায় সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে সবজির দাম কমলেও বেড়েছে পেঁয়াজ, রসুন, আলু ও মুরগির দাম। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য মতে কয়েকদিনের বৃষ্টির কারণে এবং আমদানি কম থাকায় পেঁয়াজ ও আলুর দাম বেড়েছে।শুক্রবার সকালে রাজধানীর মিরপুর ১ নম্বর, শ্যামলী, মোহাম্মদপুরসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে বাজার দরের এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে আলুর দাম বেড়ে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয় ২০ থেকে ২৫ টাকায়। নতুন আলুর কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি পেঁয়াজে ১৫ টাকা বেড়েছে। পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকায় যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ৫৫-৬০ টাকায়।
এছাড়াও রসুনের দাম বেড়ে প্রতি কেজি ইন্ডিয়ান রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকা যা আগে বিক্রি হতো ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়। চায়না রসুনের দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায় যা আগে বিক্রি হতো ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি।মোহাম্মদপুর বাজারে পেঁয়াজ বিক্রেতা আনিস শেখ বলেন, গত কয়েকদিনের বৃষ্টির কারণে পেঁয়াজ ও আলুর আমদানি অনেক কমে গেছে। তাই বাজারে চাহিদা অনুযায়ি অমদানি হচ্ছে না। ফলে বেশি দামে কেনার কারণে বিক্রিও বেশি দামে।
এদিকে বাজারে বেড়েছে মুরগির দামও। ব্রয়লার মুরগির কেজি প্রতি ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়। সেই সঙ্গে গত সপ্তাহের মতো এই সপ্তাহেও সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৬০ টাকায়। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকায়।শ্যামলী বাজারের মুরগি বিক্রেতা মিন্টু শেখের কাছে জানতে চাইলে তিনি মুরগির দাম বৃদ্ধির সঠিক কোনো কারণ জানাতে পারেননি। তিনি বলেন, হঠাৎ কেন দাম বেড়েছে তা বলতে পারবো না। তবে আমাদের বেশি দামে কেনা, তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
এদিকে বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে পাঁচ থেকে ১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি সিম ৪০-৬০ টাকা, গোল বেগুন ৬০ টাকা, লম্বা বেগুন ৪০ টাকা, মাঝারি ফুলকপি প্রতি পিস ৪০ টাকা, মাঝারি বাঁধাকপি ৪০ টাকা, টমেটো ১১০ টাকা, বরবটি ৭০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা, চাল কুমড়া প্রতি পিস ৪০ টাকা, লাউ আকারভেদে ৪০ থেকে ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, লতি ৬০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা ও পেঁপের কেজি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।এছাড়াও বাজারে কাঁচামরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত, কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা, শসা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায় এবং লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০ টাকায়।
মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব মাছের দামই অপরিবর্তিত আছে। বাজারে কই মাছ প্রতি কেজি ৭০০ টাকা, টেংরা ৬০০ টাকা, পাব্দা ৮০০ টাকা, ইলিশ ১২০০, চিংড়ি ৬০০-৭০০ টাকা, তেলাপিয়া ও পাঙ্গাস ১৬০-১৮০ টাকা, শিং মাছ ৪৫০-৬৫০ টাকা, রুই ২৮০-৩০০ টাকা, বাচা ১০০০ টাকা, বাইম ৮০০ টাকা, পোয়া মাছ ৩০০-৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ১০ ডিসেম্বর ২০২১ /এমএম





