প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: বর্ষার স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় থাকে অতিরিক্ত আর্দ্রতা, যা ত্বককে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ব্রণ ছাড়াও এ সময়ে ত্বকে র্যাশ দেখা দিতে পারে। এসব সমস্যায় প্রাচীনকাল থেকেই নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে। নিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই ও অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল উপাদান, যা ত্বকের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে। সেই সাথে ত্বকের কালোভাব দূর করে নিষ্প্রাণ ত্বককে উজ্জ্বলও করে।
বর্ষায় নিষ্প্রাণ ত্বকে আনুন উজ্জ্বলতা
যুগ যুগ ধরে রূপচর্চায় নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের দাগ দূর করতে নিম খুব উপকারি। এছাড়াও এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। ব্রণ দূর করতে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। মাথার ত্বকে চুলকানি ভাব কমায় নিম। নিমপাতার রস মাথায় নিয়মিত লাগালে চুলকানি কমে যায়। নিয়মিত নিমপাতার সঙ্গে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি পায়।
১০ টি নিমপাতা সামান্য পানি দিয়ে ভালো করে বেটে নিন। এবার তার মধ্যে ২ টেবিল চামচ মধু ও সামান্য দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে নিয়ে মিশ্রণটি ভালো করে মুখে লাগিয়ে রাখুন। মিনিট দশেক পর পানি দিয়ে ধুয়ে নিলে ত্বক পরিষ্কার হয়ে যাবে।
বর্ষায় নিষ্প্রাণ ত্বকে আনুন উজ্জ্বলতা
১০ টি নিমপাতা সামান্য পানি দিয়ে বেটে নিয়ে তার মধ্যে ২ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি ও সামান্য গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। এবার মিশ্রণটি মুখে মাখিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন ত্বক বেশ উজ্জ্বল লাগছে।
প্রথমে ১২ টি নিমপাতা এক সঙ্গে বেটে নিন। তারপর এতে ৩ টেবিল চামচ হলুদ মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ভালো করে মুখে লাগিয়ে রাখুন। তার ২০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে নিলে ত্বকের নিষ্প্রাণ ভাব কমে যাবে। ।
বর্ষায় নিষ্প্রাণ ত্বকে আনুন উজ্জ্বলতা
উজ্জ্বল ও সুন্দর চুল পেতে নিমপাতার ব্যবহার বেশ কার্যকর। চুলের খুশকি দূর করতে শ্যাম্পু করার সময় নিমপাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে চুল ম্যাসেজ করে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। এতে খুশকি দূর হয়ে যাবে। সপ্তাহে ১ দিন নিমপাতা ভালো করে বেটে চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টার মতো রাখার পর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। এর ফলে চুল পড়া কমবে এবং চুল হবে নরম ও কোমল।
প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ০৬ আগস্ট ২০২১ /এমএম





