প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: শীত শেষ, প্রকৃতিজুড়ে বইছে বাসন্তী হাওয়া। এবার তবে শীতের রকমারি পোশাকগুলো তুলে রাখার পালা। চলুন জেনে নিই কীভাবে যত্ন করে রাখলে সামনের শীতের জন্যও ভালো থাকবে আপনার প্রিয় ও মূল্যবান পোশাকগুলো। লিখেছেন লোপা চৌধুরী
শীতের জামাকাপড় প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে আলমারিতে রেখে দিন। তবে মনে রাখবেন, পোশাকের ফাঁকে ফাঁকে ন্যাপথলিন বল ছড়িয়ে দিতে হবে। পেপার ব্যাগের মুখটা স্ট্যাপলার দিয়ে আটকে দিলে ভালো। ভিজে বা স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় স্টোর করবেন না।ওয়াশিং মেশিনের জেন্টল মোডে শীতের পোশাক পরিষ্কার করতে পারেন। শীতের জামাকাপড়ের সঙ্গে অন্যান্য জামাকাপড় না কাচাই ভালো। রোদে না শুকিয়ে ছায়ায় শুকাতে দিন।
উলের পোশাক পোকামাকড় থেকে প্রতিরোধ করার জন্য সংরক্ষণ করার সময় টিস্যু পেপার দিয়ে মুড়ে কোনো জায়গায় রাখুন যেখানে বাতাস সহজে যাতায়াত করতে পারে। টিস্যু পেপারের বদলে খবরের কাগজে মুড়েও ভরে রাখতে পারেন। এক্ষেত্রে সিলিকা জেলের ব্যাগ রাখুন।স্যুট, উলের সোয়েটার হোক বা স্কার্ফ পরিষ্কার করে তবেই স্টোর করুন।
মাঝে মাঝে উলের জামাকাপড় রোদে রাখুন। পোকামাকড়ের উপদ্রব কম হবে। আর শীতের পোশাক দীর্ঘদিন আলমারিতে থাকার ফলে যে গন্ধ হয়, সেটাও অনেকটা কমবে।পুরোনো সুতি মোজার মধ্যে ইউক্যালিপটাস পাতা, তুলসী পাতা, লবঙ্গ, নিমপাতা একসঙ্গে ভরে আলমারিতে রাখুন। পোকামাকড় অনেকটা কমবে।
স্টিম দিয়ে প্রেস করার চেষ্টা করুন। গরম ইস্ত্রি সরাসরি না লাগানোর চেষ্টার করুন। প্রয়োজনে উলের পোশাক উল্টে নিয়ে তার উপর সুতির কাপড় রেখে ইস্ত্রি করুন।উলের পোশাক পরে হেয়ার স্প্রে, মেকআপ, কোলন বা পারফিউম লাগাবেন না। কারণ, এতে দাগ হয়ে যেতে পারে। উলের পোশাকে নেভি বা অন্যকোনো জিনিস পড়ে দাগ হলে সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার করুন। সাবান জলে ডোবানো স্পঞ্জ এবং নরম ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করুন।
শীতের পোশাক হ্যাঙ্গারে রাখলে কটন কভার ব্যবহার করুন। পোশাক ভালো থাকবে।জ্যাকেট বা কোট স্টোর করার সময় ভেতরে স্পঞ্জের প্যাডিং দিয়ে দিন, তাহলে একদম টান টান থাকবে, কুঁচকাবে না।জ্যাকেট পরার পর কিছুক্ষণ রোদে মেলে রাখুন।শীতের পোশাক ধোয়ার সমস্যা দেখা দিলে নরম ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন। স্যুট পরিষ্কার করার জন্য যে ব্রাশ ব্যবহার করা হয় তাও ব্যবহার করতে পারেন।
ওয়ারড্রোব স্যুট ব্যাগে স্যুট স্টোর করুন। স্যুট ব্যাগের তলার দিকে সুগন্ধিযুক্ত কোনো জিনিস রাখুন। ল্যাভেন্ডার অয়েল বা স্যাশে রাখতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন তা যেন কোনোভাবেই স্যুটে না লেগে যায়।শাল একবার ব্যবহার করে অন্তত ২৪ ঘণ্টা হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখলে ভাঁজ বা কুঁচকে যাওয়া জায়গাগুলো ঠিক হয়ে যাবে। পর পর দু’দিন এক উলের জামা না পরলেই ভালো।টুপি, মাফলার দস্তানার মতো শীতের পোশাক আলাদা আলাদা প্যাকেটে স্টোর করুন। প্রয়োজনের সময়ে সহজে খুঁজে পাবেন।
প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এমএম





