প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: আজ বিশ্ব ডিম দিবস। মেধাবী জাতি গঠন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ডিমের গুরুত্ব দিন দিনই বাড়ছে। ফলে ডিম সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার পালিত হচ্ছে বিশ্ব ডিম দিবস।
ডিমের গুণাগুন সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ১৯৯৬ সাল থেকে এ দিবসটি বিশ্ব জুড়ে একযোগে পালিত হয়ে আসছে। এবারের প্রতিপাদ্য, ‘প্রতিদিনই ডিম খাই, রোগ-প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়াই।’
এবারের ডিম দিবস উপলক্ষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতর (ডিএলএস), বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) এবং ওয়ার্ল্ড পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ একত্রে সারা দেশে অনলাইনের আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
ডিমের গুণাগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ভারতসহ বিশ্বের ৪০টি দেশে পালিত হয় ‘বিশ্ব ডিম দিবস’। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার তথ্যানুযায়ী, বছরে একজন মানুষের ন্যূনতম ১০৪টি ডিম খাওয়া উচিত।
সাধারণ মানুষকে ডিম খাওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয় এ দিবসটিতে। অথচ যখন এ দিবস পালিত হচ্ছে, তখন ভোক্তাদের প্রতি হালি ফার্মের ডিম কিনতে হচ্ছে ৩৬-৩৮ টাকায়। ডিম ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাড়তি চাহিদা পূরণ করতে না পারায় বাড়তি দামে ডিম বিক্রি হচ্ছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব পোলট্রি সায়েন্সের অধ্যাপক ড. ইলিয়াস হোসেন বলেন, প্রতিদিন একজন মানুষকে অন্তত একটি করে ডিম খাওয়া উচিত।
ডিমকে বিশ্বে একটি উন্নতমানের ও সহজলভ্য আমিষজাতীয় খাদ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল এগ কমিশন (আইইসি) স্থাপিত হয় ১৯৬৪ সালে। বর্তমানে এই সংস্থার সদস্য সংখ্যা ৮০।
সংস্থাটি প্রাণিজ আমিষের চাহদিা পূরণ, স্বাস্থ্যবান ও মেধাবী জাতি গঠন এবং সর্বোপরি ডিমের গুণাগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ১৯৯৬ সালে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় প্রথম ‘বিশ্ব ডিম দিবস’ পালনের আয়োজন করে, যা পরবর্তী সময়ে প্রতিবছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার পালিত হয়ে আসছে।
প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ০৯ অক্টোবর ২০২০/এমএম





