প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে আগামী সেপ্টেম্বরের ১২ ও ১৩ তারিখে ভারত সফরে আসছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সোমবার (২৪ আগস্ট) রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলে ব্রিকস সম্মেলন আয়োজক কমিটির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চীনা কর্মকর্তারা এখন হোটেল চূড়ান্তকরণ ও নিরাপত্তা প্রটোকল সংক্রান্ত কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
সর্বশেষ ২০১৯ সালে নয়াদিল্লি এসেছিলেন প্রেসিডেন্ট শি। তখনও উপলক্ষ ছিল ব্রিকস সম্মেলন। সেবার তিনি প্রায় ২০০ কর্মকর্তার বহর নিয়ে এসেছিলেন। সাত বছর পর এবার তার সফরসঙ্গী হিসেবে থাকছেন প্রায় ৪০০ কর্মকর্তা। সেই সফরের পরের বছরই, ২০২০ সালের জুনে লাদাখে ভারত-চীন সীমান্তে সংঘাত বাঁধে। এতে দুই দেশের সম্পর্ক বেশ তিক্ত হয়ে ওঠে, যার প্রভাব কয়েক বছর ধরেই ছিল।
এরপর গত বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বেইজিং সফরে যান। তার আগে সর্বশেষ ২০১৮ সালে তিনি চীন গিয়েছিলেন। সাত বছরের বিরতি ভেঙে মোদির সেই সফরের পর থেকেই নয়াদিল্লি-বেইজিংয়ের সম্পর্কে কিছুটা উন্নতির লক্ষণ দেখা যায়।
ভারত ও চীনের মধ্যে সীমান্ত ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই মতবিরোধ রয়েছে। চীন অরুণাচল প্রদেশ ও লাদাখকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে আসছে। ধারণা করা হচ্ছিল, এবারের সফরে শি ও মোদির মধ্যে কিছু অমীমাংসিত ইস্যু নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
তবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে শি ও মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে কি না, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এক কর্মকর্তা বলেছেন, চীন ব্রিকসকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় এবং যে কোনো উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়। ভারত এবার সফলভাবে সম্মেলন আয়োজন করছে, এতে চীনের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।
এ বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স। তবে মন্ত্রণালয়ের কোনো মুখপাত্র মন্তব্য করতে রাজি হননি। সূত্র: রয়টার্স
প্রবাস বাংলা ভয়েস/কানাডা/২৫ আগস্ট ২০২৬/এএ





