Menu

বাংলানিউজসিএ ডেস্ক :: ভার্চুয়াল শুনানিতে মার্কিন হাউস প্যানেলের আইনপ্রণেতাদের তোপের মুখে পড়েছেন ফেসবুক, গুগল এবং টুইটারের শীর্ষ কর্মকর্তারা। নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে এ শুনানির আয়োজন করে হাউস প্যানেল।

হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস ইন্টেলিজেন্স কমিটিকে ফেসবুক এবং টুইটারের শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনুপস্থিত ভোটিং বা সাম্প্রতিক বৈষম্যবিরোধী বিক্ষোভ এবং পুলিশি কার্যক্রম নিয়ে কথোপকথনে বিদেশি হস্তক্ষেপের কোনো প্রমাণ মেলেনি।

ফেসবুকের অ্যালগরিদম মেরুকরণমুখী প্রচারণা চালাচ্ছে এ বিষয়টি নিয়ে প্রতিষ্ঠান কী পদক্ষেপ নিচ্ছে- তা জানতে ফেসবুকের নিরাপত্তা নীতিমালা প্রধান নাথানিয়েল গ্লেইশারকে চাপ দেন ডেমোক্রেট প্রতিনিধি জিম হাইমস।

হাইমস বলেন, ‘এখন যদি প্রতিটি মার্কিন বসতি বিষাক্ত, বিস্ফোরক গ্যাস দিয়ে পরিপূর্ণ হয়- যা আমি মনে করি, এখন রয়েছে তাহলে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড ঘটাতে রাশিয়া বা ইরান বা উত্তর কোরিয়া বা চীন থেকে একটি দিয়াশলাই-ই যথেষ্ট’।

প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের পোস্ট প্ল্যাটফর্মে অনুমোদন দেয়ার বিষয়ে দু’পথে এগিয়েছে ফেসবুক এবং টুইটার। সম্প্র্রতি তাই কনটেন্ট মডারেশন নিয়ে বিতর্কও বেড়েছে। এ বিষয়টি নিয়েও শুনানিতে গ্লেইশারকে চাপ দিয়েছে হাউস প্যানেল। পোস্ট নিয়ে বিতর্কের জের ধরে সামাজিক মাধ্যমগুলোর সেন্সরশিপ বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প।

শুনানিতে মার্কিন কমিউনিকেশন্স ডিসেন্সি অ্যাক্ট-এর ২৩০ ধারায় পরিবর্তন আনার বিষয়ে জানতে চাইলে গ্লেইশার বলেন, কংগ্রেস পরিবর্তন আনলে তারা আইন মেনে চলবে।

অন্যদিকে গুগলের আইন প্রয়োগ এবং তথ্য সুরক্ষা বিভাগের পরিচালক রিচার্ড সালগাদোর কাছে হাউস প্যানেলের দাবি, স্বচ্ছতার অভাবে গুগল সমালোচনা এড়িয়ে যাচ্ছে। জবাবে সালগাদো বলেন, প্ল্যাটফর্মের বিজ্ঞাপনের বিষয়ে গুগল স্বচ্ছতা প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

বাংলানিউজসিএ/ঢাকা/ ২১ জুন ২০২০ /এমএম


Array