প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: মানচিত্রে একটি নীল দাগ। পাশে লেখা—‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন একটি পোস্টকে ঘিরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
গত মঙ্গলবার ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে হরমুজ প্রণালির একটি মানচিত্র প্রকাশ করেন। মানচিত্রে এই কৌশলগত জলপথটি চিহ্নিত করে নিচে লেখা ছিল ‘NEW US Territory’ বা ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’। এর আগে তিনি বলেছিলেন, যুদ্ধ শেষ হলে হরমুজ প্রণালি মার্কিন ভূখণ্ডে পরিণত করা হবে। পরে হোয়াইট হাউজও এক্সে ওই পোস্ট শেয়ার করে।
ট্রাম্পের পোস্টের পাল্টা জবাব এসেছে ইরানের সরকারি ‘ইরান ইন হায়দরাবাদ’ অ্যাকাউন্ট থেকে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের মানচিত্র প্রকাশ করে ক্যালিফোর্নিয়াকে নীল রঙে চিহ্নিত করেছে। মানচিত্রের ওপর লেখা ‘NEW TERRITORY OF ISLAMIC REPUBLIC OF IRAN’। বাংলায় যার অর্থ ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের নতুন ভূখণ্ড’।
ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদিও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি ট্রাম্পের হরমুজ-সংক্রান্ত বক্তব্যকে বিভ্রান্তিকর বলে মন্তব্য করেন। তার কথায়, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ট্রাম্পের এই ধারণা শিগগির সংশোধন হবে, অথবা ইরানই তা সংশোধন করবে।
ক্যালিফোর্নিয়াকে বেছে নেওয়ার পেছনে একটি বাস্তব প্রেক্ষাপটও রয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেস এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে ইরানি বংশোদ্ভূত মানুষের অন্যতম বড় সম্প্রদায় বাস করে। ইউসিএলএর সেন্টার ফর নিয়ার ইস্টার্ন স্টাডিজের হিসাবে, লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টিতে প্রায় ১ লাখ ৪১ হাজার ইরানি-আমেরিকান রয়েছেন। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় এই সম্প্রদায়ের বিস্তার ঘটে। লস অ্যাঞ্জেলেসের ওয়েস্টউড এলাকা অনানুষ্ঠানিকভাবে ‘তেহরাঞ্জেলেস’ নামেও পরিচিত। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
প্রবাস বাংলা ভয়েস/কানাডা/২৩ আগস্ট ২০২৬/এএ





